২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ইস্তাম্বুলে বিস্ফোরণ ও গুলিবর্ষণ, দুই হামলাকারী নিহত

অনলাইন ডেস্ক ॥ তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলে একটি পুলিশ স্টেশনে বোমা হামলা ও তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কন্স্যুলেটের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে।

বোমা হামলায় তিন পুলিশ কর্মকর্তা ও সাত বেসামরিকসহ অন্ততপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন বলে ইস্তাম্বুল পুলিশের বরাত দিয়ে জানিয়েছে বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বার্তা সংস্থা দোগান এর বরাত দিয়ে রয়টার্স আরো জানিয়েছে, ইস্তাম্বুলের সুলতানবেইলিতে ওই বোমা হামলার পর পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলিতে দুই হামলাকারী নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের কন্স্যুলেটের সামনে গুলিবর্ষণের ঘটনায় কেউ আঘাত পাননি বলে জানা গেছে।

দুই বন্দুকধারী হামলাকারী এখানে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশের পাল্টা গুলির মুখে তারা পালিয়ে যায়।

এনটিভির বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, সোমবারের এই গুলিবর্ষণের ঘটনায় সন্দেহভাজন এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ।

দেশটির সরকার ও বিদ্রোহী কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই এসব হামলার ঘটনা ঘটলো।

সম্প্রতি পিকেকের শীর্ষ নেতা সেমিল বায়িক অভিযোগ করেছেন, কুর্দি যোদ্ধাদের উপর হামলা করে তুরস্ক ইসলামিক স্টেট (আইএস) জঙ্গিগোষ্ঠীকে রক্ষার চেষ্টা করছে।

কুর্দি যোদ্ধারা, যাদের মধ্যে পিকেকেও অন্যতম, সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু বেশ কিছু পশ্চিমা দেশের মতো তুরস্কও পিকেকে-কে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে।

জুলাইয়ে একইসঙ্গে উত্তর ইরাকে পিকেকে-র শিবিরগুলোতে ও আইএস জঙ্গিদের অবস্থানগুলোতে বিমান হামলা চালানো শুরু করে তুরস্ক। এর মাধ্যমে পিকেকে-র সঙ্গে চলা তুরস্কের অস্ত্রবিরতিও শেষ হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাতে এই দুটি পক্ষের দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা লড়াই ফের শুরু হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পর্যবেক্ষরা বলেছেন, আইএসের তুলনায় অনেক বেশি হামলার মুখে পড়েছে পিকেকে-র যোদ্ধারা।

অপরদিকে আইএসের বিরুদ্ধে ‘সর্বাত্মক লড়াই’ শুরুর পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে বুধবার জানিয়েছে তুরস্ক।