২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তালতলী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের জামিন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বরগুনা ও আমতলী (বরগুনা)॥ সোমবার আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত থেকে বরগুনার তালতলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুন্দর আলী গাজীকে পেটানোর মামলায় অন্তবর্তীকালীন জামিন পেয়েছেন। অপর এক আদেশে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতারকে আজ (মঙ্গলবার) স্বশরীরে আদালতের হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সুত্রে জানাগেছে, গত ২৩ জুলাই বিকেলে তালতলী বন্দরে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মনিরুজ্জামান মিন্টু ও তার সহযোগীরা প্রধান শিক্ষক সুন্দর আলীকে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে সুন্দর আলী বাদী হয়ে চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মিন্টু, মাওলানা আনোয়ার হোসেন ও আলী আহম্মেদ ফরাজীকে আসামী করে তালতলী থানায় মামলা দায়ের করেন। এ মামলাটি ৩৪৩/৩৪২/৩২৩/৩৮৪ দঃবিধিতে ওসি মামলা রেকর্ড করেন। পুলিশ ওই রাতে আলী আহম্মেদ ফরাজীতে গ্রেফতার করে। সোমবার দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মিন্টু ও অপর আসামী মাওলানা আনোয়ার হোসেন আমতলী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বৈজয়ন্ত বিশ্বাসের আদালতে হাজির হয়। বিজ্ঞ বিচারক দীর্ঘ শুনানী শেষে তার অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন। আদেশে তিনি উল্লেখ করেন আগামী ২৬ আগষ্ট আদালতে হাজির হওয়া জন্য বলা হয়েছে। অপরদিকে এ মামলার বাদী সুন্দর আলী আদালতে হাজির হয়ে বিচারকের কাছে ৩৮৫ও ৩৮৭ দঃ বিধিতে নালিশি মামলা করেন। আদালত এ মামলাটি ২০৫ এর ডি ধারায় স্থাগিত রেখেছেন। মামলায় বাদী উল্লেখ করেন গত বৃহস্পতিবার তালতলী থানায় মামলা করতে গেলে ওসি বাবুল আখতার তার কাছ থেকে তিনটি সাদা কাগজে জোড়পুর্বক স্বাক্ষর রাখেন এবং তার কাছে উপজেলা চেয়ারম্যান চাদাঁ দাবী করেন তা এজাহারে উল্লেখ করেনি। আদালত বাদীর আবেদন আমলে নিয়ে তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আখতারকে আজ (মঙ্গলবার) স্বশরীরে হাজির হয়ে বাদীকে ভুল বুঝিয়ে এজাহার নেয়ার কারনে ওসির বিরুদ্ধে উর্ধতন কর্তৃপক্ষেকে কেন আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হবে না তার ব্যাখ্যা তলব করেছেন। বিজ্ঞ বিচারক বৈজয়ন্ত বিশ্বাস আরেক আদেশে আগামী ১৫ কার্য দিবসের মধ্যে ওই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার জন্য তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছেন। এ মামলায় বাদী পক্ষে ছিলেন কোর্ট সিএসআই ফজলে আলী, এড.আবদুর রশিদ ও এড. মোস্তফা কাদের এবং বিবাদী পক্ষে ছিলেন এড. নুরুল ইসলাম,এড. আবূল কাসেম ও এড. কামরুল হাসান মহারাজ।