২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

আইএসকে রক্ষা করছে তুরস্ক ॥ অভিযোগ পিকেকে নেতার

  • ইনরিলিক বিমান ঘাঁটিতে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও ৩ মার্কিন সেনা সদস্য মোতায়েন

কুর্দি যোদ্ধাদের ওপর হামলা করে তুরস্ক জঙ্গী সংগঠন ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) রক্ষার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছেন কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টির (পিকেকে) শীর্ষ নেতা সেমিল বায়িক। তিনি বিবিসিকে বলেছেন, তার বিশ্বাস তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তায়িপ এরদোগান কুর্দিদের অর্জনে বাধা দিতেই আইএসের সাফল্য চান। এদিকে যুক্তরাষ্ট্র তুরস্কের ইনরিলিক বিমান ঘাঁটিতে ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ও ৩০০ সেনা সদস্য পাঠিয়েছে বলে মার্কিন সেনাবাহিনী জানিয়েছে। আইএসের বিরুদ্ধে মার্কিন বিমান হামলা চালাতে তুরস্কের মাটি ব্যবহার করতে দিতে গত মাসে আঙ্কারা রাজি হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নেয়। খবর বিবিসি, আল জাজিরা ও ইয়াহু নিউজের।

পিকেকেসহ কুর্দি যোদ্ধারা সিরিয়া ও ইরাকে আইএসের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছে। কিন্তু অনেক পশ্চিমা দেশের মতো তুরস্কও পিকেকেকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে। বায়িক বলেছেন, তুর্কিরা দাবি করে তারা আইএসের সঙ্গে লড়াই করছে, কিন্তু আসলে তারা পিকেকের সঙ্গে লড়াই করছে। আইএসের বিরুদ্ধে পিকেকের লড়াইকে সীমিত রাখার জন্যই তারা এসব করছে, তারা আইএসকে রক্ষা করছে। আইএসের তা-বের পেছনে আছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান। তার লক্ষ্য হলো তাদের বিরুদ্ধে কুর্দিদের অগ্রযাত্রা রোধ করা। জুলাইয়ে একই সঙ্গে উত্তর ইরাকে পিকেকের শিবির ও আইএস জঙ্গীদের অবস্থানগুলোতে বিমান হামলা চালানো শুরু করে তুরস্ক। এর মাধ্যমে পিকেকের সঙ্গে চলা তুরস্কের অস্ত্রবিরতিও শেষ হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষরা বলেছেন, আইএসের তুলনায় অনেক বেশি হামলার মুখে পড়েছে পিকেকের যোদ্ধারা। কুর্দিদের সাফল্য প্রতিরোধের কার্যক্রম আড়াল করার জন্যই তুরস্ক আইএসের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে, এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তুর্কি কর্মকর্তারা। এদিকে ন্যাটোর মার্কিন মিশন রবিবার বলেছে, আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তুরস্ককে সহায়তা করতে দেশটির ইনসিরলিক বিমান ঘাঁটিতে মার্কিন বিমান বাহিনী ছয়টি এফ-১৬ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।

তুরস্কে মার্কিন কনস্যুলেটে বন্দুক হামলা ॥ তুরস্কের ইস্তাম্বুলে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে সোমবার সকালে হামলা চালিয়েছে দুই বন্দুকধারী। এই হামলায় তিন পুলিশসহ সাতজন আহত হয়েছে। তবে মার্কিন কনস্যুলেটের কেউ হতাহত হয়নি। হামলাকারীদের একজন পুরুষ ও অপরজন নারী।