২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঈশ্বরদীতে গ্রীন সিটি নির্মাণের কাজ শুরু

  • অর্থনৈতিক উন্নয়নে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্প ভূমিকা রাখছে

তৌহিদ আক্তার পান্না, ঈশ্বরদী ॥ বর্তমান সরকারের হাতে নেয়া অসংখ্য উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মধ্যে সর্ব বৃহৎ রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্পে রাশিয়ান কর্মকর্তা-কর্মচারী ও লেবারদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থব্যয়ে গ্রীন সিটি নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু হয়েছে। ২ হাজার রাশিয়ানের অবস্থানের জন্য রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্পের নতুনহাট পুরাতন অফিস চত্বরে ৩১ দশমিক ৫৮ একর জমিতে এ গ্রীন সিটি নির্মাণের কাজ শীঘ্রই শুরু করা হবে। বর্তমানে ডিজিটাল জরিপের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। জরিপ কাজ শেষ হলেই নকশা প্রণয়ন ও অনুমোদনের পর পিডব্লিউডির চাহিদা অনুযায়ী অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে এ গ্রীন সিটি নির্মাণের কাজ শুরু হবে। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পর থেকে প্রকল্প এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক পর্যায়ের কাজ শুরু করা হয়। পৃথিবীতে এ যাবত কালে সকল দুর্ঘটনার সকল ফ্যাক্টর বিবেচনা করে এ প্রকল্পে ১২০০-২০০০ মেগাওয়াট সম্পন্ন বিদ্যুত প্রকল্প নির্মাণের কাজ বেঁধে দেয়া টাইম ফ্রেম অনুযায়ী এগিয়ে চলেছে। ঝুঁকি মোকাবেলা করার জন্য সকল ব্যবস্থাই এখানে রাখা হয়েছে।

রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুত প্রকল্পে অত্যাধুনিক গ্রীন সিটি নির্মাণকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ঈশ্বরদীর প্রকল্প এলাকায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. সিরাজুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও রাশিয়ান ফেডারেশনের এ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্টের সভায় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সদস্য (প্রকৌশল) মঞ্জুরুল হক, রুপপুর প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. শওকত হোসেন গণপূর্ত অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নির্বাহী প্রকৌশলী মাওদুদুর রহমান, স্থাপত্য অধিদফতরের সহ-প্রধান স্থপতি আলী আশরাফ দেয়ান, সহকারী স্থপতি নাসির উদ্দিন দিদার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ফিরোজ আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রফিকুল ইসলাম সেলিম, সহকারী পুলিশ সুপার জাহিদ হোসেন, প্রকল্পের অফিসার ইন চার্জ রুহুল আমিন, মাঠ পর্যায়ের গণপূর্ত শাখার এসডিই আব্দুল লতিফ খান এবং রাশিয়ানদের পক্ষে পাভেল গ্লোসেভসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

একই সঙ্গে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনেরও একটি অফিস এখানে নির্মাণ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। রাশিয়ান ফেডারেশনের এ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট এই অত্যাধুনিক সিটি নির্মাণ করবেন এবং প্রকল্পে কর্মরত রাশিয়ান বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তারা এখানে বসবাস করবেন। প্রকল্প চূড়ান্তভাবে বাস্তবায়নের পর রাশিয়ান কর্তৃপক্ষ এই সিটি বাংলাদেশ সরকারকে হস্তান্তর করবেন।