১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সংক্ষিপ্ত সংবাদ

  • সুযোগ দেখছে কিউইরা ॥ দ. আফ্রিকা-নিউজিল্যান্ড সিরিজ

স্পার্টস রিপোর্টার ॥ জিম্বাবুইয়ের সঙ্গে সফল সিরিজ শেষ করে দক্ষিণ আফ্রিকায় পৌঁছেছে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দল। স্বাগতিক প্রোটিয়াদের সঙ্গে দুটি টি২০ এবং তিন ওয়ানডের সিরিজ খেলবে অতিথি কিউইরা। দক্ষিণ আফ্রিকা কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও নিজেদের দারুণ সুযোগ দেখছেন সফরকারী নিউজিল্যান্ড কোচ মাইক হেসন। ২০১৩ সালে সর্বশেষ সফরে তিন ওয়ানডের সিরিজ ২-১এ জিতেছিল তারা। মার্চে ঘরের মটিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ইতিহাস গড়ে ব্রেন্ডন ম্যাককুলামের দল। প্রোটিয়াদের মোকাবেলার আগে জিম্বাবুইয়ের বিপক্ষে ওয়ানডে-টি২০ দুই ভার্সনেই সাফল্য তুলে নেয় কিউইরা।

হেসন বলেন, ‘আগেরবার পরিস্থিতিটা কঠিন ছিল। ব্যবধানে টেস্ট সিরিজ হারে নেতৃত্ব ছেড়েছিল রস টেইলর। কঠিন সময়ের মধ্যেও ম্যাককুলামের অধীনে ওয়ানডে জিতেছিলাম। এটা দারুণ অনুপ্রেরণার। মাঝে দল হিসেবে আমরা অনেক গুছিয়ে উঠেছি। বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলা তারই প্রমাণ। সুতরাং এবার আমাদের ভাল সুযোগ রয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সাফল্য পেতে ছেলেরা মরিয়া হয়ে আছে।’ অতিথদের বাড়তি আত্মবিশ্বাস যোগাবে বিশ্বকাপের স্মৃতি। এই দক্ষিণ আফ্রিকাকেই ৪ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালের টিকেট পেয়েছিল তারা।

ডারবানে প্রথম টি২০ শুক্রবার। সেঞ্চুরিয়নে দ্বিতীয়টি রবিবার। তিন ওয়ানডে যথাক্রমে ১৯, ২৩ ও ২৬ আগস্ট।

বেইলিস ‘ফ্যাক্টর’

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ এ যেন ‘কাটা দিয়ে কাটা তোলা’। সিরিজ শুরুর কয়েক দিন আগে ট্রেভর বেইলিসকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দেয় ইংল্যান্ড এ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। অস্ট্রেলিয়া বধে এক অস্ট্রেলিয়ানকে বেছে নেয়ার পরিকল্পনাটা সফল। এক ম্যাচ হাতে রেখেই এ্যাশেজ সিরিজ পুনরুদ্ধার করে এ্যালিস্টার কুকের দল। সাফল্যের নেপথ্যে বেইলিসকে কোচ করার বিষয়টিকে গুরত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

টানা ব্যর্থতার দায়ে পিটার মুরসকে সরিয়ে গত ২৬ মে কোচ হিসেবে বেইলিসের নাম ঘোষণা করা হয়। ২৫ জুন যখন নতুন দায়িত্ব নিয়ে লন্ডনে পা রাখেন, এ্যাশেজ শুরু হতে তখন দুই সপ্তাহও বাকি নেই। এই সময়টুকুতেই জাদু দেখালেন। মূল কৃতিত্ব অবশ্যই ক্রিকেটারদের। এত দ্রুত একটা দলেরকে পাল্টে দিতে পারেন না কোন কোচই। তবে খুনে মানসিকতা আর আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের যে মন্ত্র দিয়ে এ্যাশেজ জয় করেছে ইংল্যান্ড, সেটি তো ইংলিশ ক্রিকেটারদের মনে গেঁথে দিয়েছেন এই বেলিসই!

দায়িত্ব নেয়ার পরপরই বেলিস সাবেক অসি ক্রিকেটার বেইলিস ঘোষণা করেছিলেন, তার কোচিংয়ে ইংল্যান্ড খেলবে আক্রমণাত্মক ক্রিকেট। বলেছিলেন, ‘আগুনের জবাব দেব আগুন দিয়েই।’ বস্তবে হয়েছেও তাই। বেইলিসের ইংল্যান্ড আগ্রাসী ও ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলে চমকে দিয়েছে সবাইকে। ইংলিশ ক্রিকেটের অচেনা ধরনে ভড়কে গেছে এমনকি আক্রমণাত্মক ক্রিকেটের পুরোধা অস্ট্রেলিয়াও।

মানসিক শক্তি ফিরে পেয়েছেন নাদাল

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ শেষ দশ বছরে নয়বারই ফ্রেঞ্চ ওপেনের শিরোপা জিতেছেন রাফায়েল নাদাল। কিন্তু এবার নিজের করে নেয়া টুর্নামেন্টেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। চোট আর নিষ্প্রভতার কারণে মানসিকভাবে একেবারেই ভেঙ্গে পরেন স্প্যানিশ এই টেনিস তারকা। তবে সম্প্রতি হামবুর্গ ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হয়ে মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি খোঁজে পেয়েছেন টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের সাবেক নাম্বার ওয়ান এই তারকা। এ বিষয়ে নাদাল বলেন, ‘মানসিকভাবে সবসময়ই শক্ত থাকি আমি। কিন্তু এই বছরের বেশিরভাগ সপ্তাহগুলোতেই তা ধরে রাখতে পারিনি। তবে হামবুর্গের সপ্তাহটা আমার জন্য অনেক ইতিবাচক। এই মুহূর্তে নিজের পারফর্মেন্স নিয়ে অনেক কাজ করছি আমি।’ টেনিস ক্যারিয়ারে ১৪ গ্র্যান্ডসøাম জিতেছেন নাদাল। এই সময়ের মধ্যে বিশ্ব টেনিস র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান দখলসহ অসাধারণ সব কীর্তি গড়ে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। কিন্তু ২৯ বছর বয়সী এই স্প্যানিশ তারকাই বর্তমানে র‌্যাঙ্কিংয়ের নবম স্থানে অবস্থান করছেন। যা তার জন্য হতাশাজনকই বলতে হয়। তবে মহিলা এককে রাজত্ব করছেন সেরেনা উইলিয়ামস। দীর্ঘদিন ধরেই র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। সোমবার প্রকাশিত বিশ্ব এটিপি র‌্যাঙ্কিং অনুযায়ী ১২,৩৭১ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন তিনি। র‌্যাঙ্কিংয়ের ষষ্ঠ স্থান পর্যন্ত কোন পরিবর্তন হয়নি।

যে কারণে মারিয়া শারাপোভা থেকে আনা ইভানোভিচ পর্যন্ত র‌্যাঙ্কিংয়ে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে বড় ইউএস ওপেনের আগে বড় ধাক্কাটা খেয়েছেন পোল্যান্ডের এ্যাগ্নিয়েস্কা রাদওয়ানস্কা। পোল্যান্ডের এই টেনিস তারকা সাত ধাপ পিছিয়ে পড়েছেন। এর ফলে সপ্তম স্থান থেকে চৌদ্দতম স্থানে ছিটকে পড়েছেন তিনি। মূলত স্ট্যানফোর্ড ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকেই ছিটকে পড়ার কারণে র‌্যাঙ্কিংয়ে তার এই বিপর্যয়।

বেজিং মিশনে জ্যামাইকার স্বপ্ন বোল্ট

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অপেক্ষার প্রহর শেষ হওয়ার পথে। আর মাত্র ১০ দিন পরেই শুরু হবে ট্র্যাক এ্যান্ড ফিল্ডের বিশ্বমানের সব স্প্রিন্টারদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই। দীর্ঘদিন বড় কোন প্রতিযোগিতায় দৌড়াননি সর্বকালের সবচেয়ে গতিধর মানব জ্যামাইকার উসাইন বোল্ট। ‘বিদ্যুত বোল্ট’ খ্যাতি পাওয়া এ জ্যামাইকান স্প্রিন্টার এবার প্রস্তুত বিশ্ব এ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপসে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য। সেখানে তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়তে প্রস্তুত হয়ে আছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্প্রিন্টার সাবেক বিশ্বরেকর্ডধারী জাস্টিন গ্যাটলিন। গত মৌসুমের সব প্রতিযোগিতায় জয় তুলে নেয়া গ্যাটলিন টাইমিংয়ের দিক থেকেও সবার চেয়ে এগিয়ে। তাই বোল্ট-গ্যাটলিন লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন সবাই। ২২ আগস্ট চীনের বেজিংয়ে শুরু হবে বিশ্ব এ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপস। আর সেখানেই মুখোমুখি হবেন দু’জন।

ইতোমধ্যেই বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপসের জন্য জ্যামাইকার এ্যাথলেটিক্স দল ঘোষণা করেছে দেশটির ফেডারেশন। ৬টি অলিম্পিক সোনাজয়ী বোল্ট এই স্কোয়াডের পুরোধা হিসেবে থাকছেন। ৫৩ জনের বিশাল দলে আছেন আসাফা পাওয়েল ও ওয়ারেন উইয়ের। এরা দু’জনই অলিম্পিক রিলে ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন জ্যামাইকা দলের সদস্য। তবে ১০০ ও ২০০ মিটারে দু’বারই ডাবলজয়ী বোল্টই ভরসা। যদিও গত মৌসুমে বড় কোন প্রতিযোগিতায় তিনি দৌড়াননি নিজের অন্যতম দুই ইভেন্ট ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টে। তার অনুপস্থিতে নিজেকে সেরা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন মার্কিন স্প্রিন্টার গ্যাটলিন। এবার বিশ্ব আসরে বোল্টের অন্যতম প্রতিপক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে তাকে। দীর্ঘদিন প্রতিযোগিতার বাইরে থাকার কারণেই বোল্ট হুট করে ফিরেই বিশ্ব আসরে গতি ঝড় তুলবেন সেটা অসম্ভব বলেই ধরা হচ্ছে। গ্যাটলিন বিতর্কিত ডোপপাপী। তিনি দুইবার সে জন্য শাস্তি ভোগ করেছেন। তবে সেখান থেকে দুর্দান্ত গতি নিয়েই ফিরেছেন।

মৌসুমের সেরা টাইমিংটা গ্যাটলিনের দখলে। সারা বছরে যে কোন স্প্রিন্টারের চেয়ে সবচেয়ে কম সময় নিয়েছেন। তিনি গত মে মাসে দোহায় অনুষ্ঠিত ডায়মন্ড লীগে মাত্র ৯.৭৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে ১০০ মিটারে জেতেন। সেটা তার ব্যক্তিগত সেরা টাইমিংও। আর মৌসুমে কম দৌড়ালেও সব মিলিয়ে নিজের সেরা গতিটা তুলতে পেরেছেন বোল্ট গত মাসে লন্ডন প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী গেমসে। সময় নিয়েছিলেন ৯.৮৭ সেকেন্ড। তার সতীর্থ পাওয়েলের মৌসুমে সেরা টাইমিং ছিল ৯.৮১ সেকেন্ড। তাই এ দু’জনের চেয়েই পিছিয়ে আছেন বোল্ট। আর ২০০ মিটারে জ্যামাইকার হয়ে বোল্টের পরই সেরা ধরা হচ্ছে রশিদ ডয়ারকে। তিনি ক্যারিয়ারসেরা টাইমিং ১৯.৮০ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্যান আমেরিকান গেমস শেষ করেছেন। মেয়েদের বিভাগে অন্যতম ভরসা শেলি এ্যান ফ্রেজার-প্রাইস। দুই বছর আগে মস্কোর বিশ্ব আসরে তিনি ডাবল জিতেছিলেন স্প্রিন্টে (১০০ ও ২০০ মিটার)।