২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পাঞ্জাবে যৌন নিগ্রহ দেশে তোলপাড় না হওয়া পর্যন্ত ব্যবস্থা নেয়নি পাক পুলিশ

পাকিস্তানের কাসুরে একটি ব্যাপক শিশু যৌন নিগ্রহের ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পিতামাতারা শিশুদের শিকারে পরিণত করা যৌন অপরাধী চক্র ভেঙ্গে দিতে যথেষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ না করার ব্যর্থতার জন্য পুলিশকে দোষারোপ করেছেন। তারা বলেছেন, দেশজুড়ে হৈচৈ শুরু না হওয়া পর্যন্ত পুলিশ কোন পদক্ষেপ নেয়নি। দাবি করা হয়েছে যে, ভারতীয় সীমান্তের কাছে পাঞ্জাবের একটি গ্রাম হুসেন খান ওয়ালায় ১৪ বছরের নিচে ২৮০ মেয়ে ও ছেলের ওপর চালানো যৌন নিপীড়নের ঘটনার ভিডিও করা হয়। তারপর সেগুলো তাদের পরিবারকে ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায়ের জন্য ব্যবহার করা হতো এবং শিশু নিপীড়নের ছবি নিয়ে ব্যবসা করে এমন ওয়েবসাইটগুলোর কাছে বিক্রি করা হতো। গ্রামবাসীরা একটি বার্তা সংস্থাকে বলেছে, সেখানকার একটি বিশিষ্ট পরিবার বেশ কয়েকবছর ধরে শিশুদের যৌনক্রীড়া করতে বাধ্য করে তা ভিডিওতে ধারণ করছে। এইসব ফুটেজ বিক্রি কিংবা দরিদ্র পরিবারগুলোকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য ব্যবহার করা হতো। খবর ডন ও গার্ডিয়ানের।

রুবিনা বিবি বলেছেন, তার ১৩ বছরের ছেলেও নিগৃহীত। কিন্তু যখন তিনি দেড় মাস আগে গান্ধা সিং ওয়ালা থানায় অভিযোগ দায়ের করতে যান, ‘থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী আমাকে চলে যেতে বলে এবং আমাকে বের করে দেয়া হয়।’ তিনি বলেন, ‘আমার ছেলেকে ভিডিওতে দেখা গেছে, সে একজন নিগৃহীত। আমাদের শিশুদের এসব করতে বাধ্য করা হয়েছে। তাদের লাঞ্ছিত করা হয়েছে। কিন্তু পুলিশ তাদের প্রতি অপরাধীদের মতো আচরণ করেছে।’ আরেকজন মা সাকিলা বিবি বলেন, ‘আমি অভিযোগ দায়েরের জন্য থানায় যাই।

কিন্তু তা নথিভুক্ত না করে তারা আমার ছেলেকে হাজতে ভরে ফেলে।’ তার ১৫ বছরের কিশোর পুত্র এখনও হাজতে আছে বলে তিনি জানান। জেলা পুলিশ কর্মকর্তা রাই বাবর বলেন, তার বাহিনী দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। বার্তা সংস্থাকে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের আশ্বাস দিচ্ছি আমরা বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছি এবং এ ব্যাপারে সুষ্ঠু ও অত্যন্ত স্বচ্ছ তদন্ত চালানো হবে।’

নির্বাচিত সংবাদ