২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার, ১০ জন গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার ॥ পাওনা টাকা চাওয়ায় জহিরুলকে অপহরণ করে তারই ব্যবসায়িক অংশীদাররা। তারপর মুক্তিপণ আদায়ের জন্য দর কষাকষি চলে। তখন র‌্যাব হানা দিয়ে তাকে উদ্ধারের পর আটক করে ১০ অপহরণকারীকে। এ ঘটনা রাজধানীর কাওরানবাজার এলাকার।

র‌্যাব জানায়, গত ৭ আগস্ট জুমার নামাজ পড়তে বাসা থেকে বের হন জহিরুল ইসালম। নামাজের পর পরই বাসায় ফেরার কথা থাকলেও তিনি সন্ধ্যা পর্যন্ত ফেরেননি। বেশ কয়েক জায়গায় তাকে খোঁজাখুঁজি করে সন্ধান মেলেনি। তাতেই দুশ্চিন্তায় পড়েন স্ত্রী ফারিয়া। তার মনে সন্দেহ দেখা দেয় স্বামীকে হয়ত অপহরণ করা হয়েছে। এতে তিনি ছুটে যান র‌্যাব-২ অফিসে। লিখিতভাবে জানান জহিরুল নিরুদ্দেশ হওয়ার কাহিনী। রাতে আবার তেজগাঁও থানায় একটি জিডিও করেন।

এ অবস্থায় রাত দশটার সময় তার কাছে অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন আসে। ফোনে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এ তথ্য পাঠানো হয় র‌্যাব অফিসে। এতে র‌্যাব তৎপর হয়। তথ্যপ্রযুক্তি প্রয়োগ করে রাতেই তেজগাঁও থানাধীন পূর্ব তেজতুরিবাজার মহিলা কলেজের গলির হোল্ডি নং ৭৪ হাজী সোলায়মানের বাড়ির ২য় তলায় অভিযান চালায়। সেখানেই দেখা মেলে অপহৃত ব্যক্তি জহিরুলের। এ সময় তাকে উদ্ধারের পর আটক করা হয় ১০ জনকে। তারা হলেন-মোঃ ইসমাইল শেখ (২৭), মোঃ মাকছুদ (২২), মোঃ জাহিরুল ইসলাম (২০), মোঃ আরিফ (২০), জেলা-পটুয়াখালী, (৫) মোঃ বাহাউদ্দিন (২৬), পিতা-ময়ার আলী, মোঃ মিলন হোসেন (১৫), মোঃ আরমান (২১), মোঃ শারফুল (১৯), মোঃ তোফায়েল হোসেন (২৮), মোঃ খাইরুল ইসলাম (২৩)। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় মোবাইল ফোনটিও যেটা দিয়ে মুক্তিপণ আদায় করা হয়।

এ সময় অপহৃত জহিরুল জানান যে, অপহরণকারীদের মধ্যে ইসমাইল ছিল তার ব্যবসায়িক পার্টনার। ব্যবসার অন্য এক পার্টনার কালামের কাছে দীর্ঘদিন ধরে টাকা পায় ইসমাইল। প্রাপ্ত টাকা উদ্ধার করার জন্য এবং কালামকে ধরার জন্য মূলত ইসমাইল ও তার সঙ্গীরা জহিরুলকে অপহরণ করে। এরপর জহিরুলের স্ত্রী ও আত্মীয়স্বজনের কাছে বিভিন্ন মোবাইল ফোন ব্যবহার করে মুক্তিপণ হিসেবে ১৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। মুক্তিপণের টাকা না দিলে তার স্বামীকে হত্যা করারও হুমকি দেয়া হয়।