২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সমন্বিত উদ্যোগে নাগরিক প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই ॥ মেয়র নাছির

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ শুধু সিটি কর্পোরেশনের পক্ষে নাগরিকদের সকল প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব নয়। সকলের সমন্বিত উদ্যোগে নাগরিক প্রত্যাশা পূরণ করা হবে। নগরবাসী আমাকে পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি আমার দেয়া ওয়াদা, অঙ্গীকার ও নাগরিক প্রত্যাশা পূরণে আমি সচেষ্ট থাকব। স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে

নাগরিক প্রত্যাশা পূরণ করতে চাই। চসিক মেয়রের দায়িত্বভার গ্রহণের পর বুধবার অনুষ্ঠিত প্রথম মতবিনিময় সভায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন আ জ ম নাছির উদ্দিন। নগরীর সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন সরকারী, আধাসরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এ সভায় উঠে আসে কর্পোরেশন ও নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনা ও সুপারিশ। এতে সভাপতিত্ব করেন মেয়র নিজেই। সভার শুরুতে সিটি মেয়রের পক্ষে সরকারী, আধা সরকারী সংস্থাসমূহের কাছে সিটি কর্পোরেশনের প্রত্যাশাসমূহের সচিত্র প্রতিবেদন এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে সচিত্র প্রতিবেদন তুলে ধরা হয়।

মতবিনিময়কালে মেয়র বলেন, শতভাগ নাগরিক সেবা ও প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যে সেবায় নিয়োজিত সকল প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় অপরিহার্য। আমার মেয়াদে স্বচ্ছতা, সততা, নিষ্ঠা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে দায়িত্ব পালন করব। এক্ষেত্রে পিছপা হব না। কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আমার মনোভাব ইতোমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছি। কে কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষে অথবা কে কোন ধরনের স্বভাব চরিত্রের ছিলেন সেগুলো আমার কাছে কোন বিবেচ্য বিষয় নয়। কে কেমন আচার আচরণ করছেন, স্ব-স্ব দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে স্বচ্ছতা, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করছে কি না সে বিষয়গুলোই আমার বিবেচনায় আসবে। কর্পোরেশন পরিচালনায় অর্থের বিষয়ে মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে আমি জেনেছি যে, ঠিকাদারগণ প্রায় ১৮১ কোটি টাকা পাবেন এবং পবিত্র ঈদ উপলক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা দিতে হবে। সে সময় সিটি কর্পোরেশনের আর্থিক সক্ষমতা ছিল না। আমি প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করলে তিনি এই সঙ্কট নিরসনে ৫০ কোটি টাকার থোক বরাদ্দ দেন।

প্রায় ৩শ’ কোটি টাকার দায় দেনার ভার কাঁধে নিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। তবে বিশ্বাস করি, স্বদিচ্ছা থাকলে কঠিনকে জয় করা কোন কঠিন কাজ নয়। মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনকে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বছরে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে। এ দুটি প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তা সত্ত্বেও নগরবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী পরিচ্ছন্নতা, উন্নয়ন, আলোকায়নের সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের পরিকল্পিত উন্নয়ন করার চেষ্টা করছি। পরিবেশ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্যসম্মত নগরীর স্বার্থে আগামী ১ সেপ্টেম্বর হতে রাতে আবর্জনা অপসারণ করা হবে। সে লক্ষ্যে মেয়র সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে ময়লা-আবর্জনা ডাস্টবিন, কন্টেইনার ও নির্দিষ্ট ডাস্টবিনে ফেলার জন্য নগরবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান।