১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সর্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানের অভাব

নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা, ১২ আগস্ট ॥ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ট্রাস্কফোর্স সদস্যরা সব সময় উপস্থিত না থাকার কারণে ভোলা ইলিশা ফেরিঘাট এলাকায় নদী ভাঙ্গন রোধের কাজ ব্যহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে ইলিশা ফেরিঘাট এলকায় বালির ব্যাগ ফেলেও ভাঙ্গনরোধ করা যাচ্ছে না।

তারা ২৪ ঘণ্টা ভোলায় না থাকার কারণে যখন ভাঙ্গন বা বড় ধরনের ফাটল দেখা দেয় তখন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হয় না। যে কারণে ভোলা-লক্ষ্মীপুর মহা সড়করে ইলিশা চডার মাথা এলাকায় আবার রাক্ষুসে মেঘনা নদী আঘাত হেনেছে। ইতোমধ্যে বিশাল আকারে ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও এবার ইলিশা বিশ্ব রোড এলাকায় ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হওয়ায় বিআইডব্লিউটিএ’র নবনির্মিত দ্বিতীয় ফেরিঘাটটি এখন হুমকির মুখে পড়েছে। ভাঙ্গন অব্যাহত থাকলে ৩ দিন আগে চালু হওয়া এ ফেরিঘাটটিও বিলীন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এতে করে ২১ জেলার সঙ্গে সহজ যোগাযোগ মাধ্যম ভোলা-লক্ষ্মীপুর ফেরি চলাচল ফের বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে ভোলা-লক্ষ্মীপুর রুটে ফেরি চলাচল ও ইলিশা ফেরিঘাট মেঘনার ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষায় জরুরী এক সভায় উপস্থিত বক্তারা এসব আশঙ্কার কথা বলা হয়।

ভোলা জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে জরুরী এই সভায় বক্তব্য রাখেন ভোলা জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা আওয়ামী লীগ সম্পাদক আবদুল মমিন টুলু, ভোলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম, বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী শাহে নেওয়াজ, গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী বদরুল আলম, ভোলা সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহিন সরকার, ভোলা ফেরি বাস্তবায়ন ও স্বার্থ রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক অমিতাভ অপু প্রমুখ।