২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঘরোয়া হকি- নির্দেশ পেলেই গদি ছাড়বেন খাজা!

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের ঘরোয়া হকিতে যে অচলাবস্থা বা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল, তা সমাধান করতে অনেক উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ফল হয়নি। বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে দীর্ঘ বৈঠকের মাধ্যমে তেমনই আবারও সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে ফল সেই অনেকটা ‘অশ্বডিম্ব প্রসব’-এর মতোই! তবে বর্তমান কমিটির পদত্যাগ অথবা ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়। তার নির্দেশ পেলেই হকি ফেডারেশনের বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা একযোগে গদি ছাড়বেন। এরপরই গঠন করা হবে এ্যাডহক কমিটি। ওই কমিটির অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে প্রিমিয়ার হকি লীগ। ক্লাবগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে হকি ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ও সভার উদ্যোক্তা আবদুর রশিদ শিকদার এমনটাই জানান।

তবে এই মতবিনিময় সভায় সব ক্লাব (৩০টি) থাকলেও উপস্থিত ছিলেন না ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ্। এমনকি তার ক্লাব আবাহনী লিমিটেডের কোন প্রতিনিধিও উপস্থিত ছিল না। ছিল না রেলওয়ে ক্লাবেরও কোন প্রতিনিধি। সভায় উপস্থিত ছিলেন ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল বারী, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের ডিরেক্টর ইনচার্জ লোকমান হোসেন ভুঁইয়া, ফেডারেশনের যুগ্ম সম্পাদক আনভীর আদিল খান, ফেডারেশনের সদস্য ও সাবেক হকি খেলোয়াড় কামরুল ইসলাম কিসমত, ঢাকা মেরিনার ইয়াংস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসানউল্লাহ খান রানা প্রমুখ। এ ছাড়াও হকির বিরাজমান সঙ্কট নিয়ে নিজেদের অভিমত তুলে ধরেন প্রথম বিভাগ ও দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব প্রতিনিধি ও অন্য সাবেক হকি খেলোয়াড়রা। গত বছর লীগ বর্জনকারী দল মোহামেডান, মেরিনার, ওয়ারী ও বাংলাদেশ স্পোর্টিং ছাড়াও ঊষা ক্রীড়া চক্র, পুলিশ এসসি, উত্তরা ক্লাব, ঢাকা ওয়ান্ডারার্স, সোনালী ব্যাংক এসসি, রায়েরবাজার ক্লাব, দিলকুশা স্পোর্টিং ক্লাব, বর্ণ সমাজ, শান্তিনগর ক্লাব বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন। সভায় বর্তমানে ৭৩ কাউন্সিলর এবং ৩১ ক্লাবের সংখ্যা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া গঠনতন্ত্র সংশোধন, ঈদের আগেই দল বদল করে ঈদের পরেই প্রিমিয়ার ডিভিশন হকি শুরু করা নিয়ে আলোকপাত করা হয়। সভায় সমস্যার কোন সুরাহা না হলেও জয়ের পথেই রয়েছে তথাকথিত ‘বিদ্রোহী’ ক্লাবগুলো। তাদের চাওয়াÑ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খাজা রহমতউল্লাহ্র অপসারণ। এই লক্ষ্য অর্জনে বড় ভূমিকা রেখেছেন হকি ফেডারেশনের বর্তমান কমিটির সহ-সভাপতি তথা ঊষা ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশীদ সিকদার।