২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উদীচী মঞ্চস্থ করল রবীন্দ্রনাথের ডাকঘর

গতকাল বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গীত ও নৃত্যশালায় ‘রবীন্দ্র-নজরুল-সুকান্ত জয়ন্তী’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী কেন্দ্রীয় নাটক বিভাগ মঞ্চস্থ করেছে রবীন্দ্রনাথের কালজয়ী সৃষ্টি নাটক ‘ডাকঘর’। নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন আসলাম অরণ্য।

‘ডাকঘর’ রবীন্দ্রনাথের অমর সৃষ্টি। শুধু বাংলানাটকই নয়; বিশ্বনাট্যেও ‘ডাকঘর’ অমর কীর্তি। নানা সময়ে নানা দেশে নানান ভাষায় মঞ্চায়িত হয়েছে এই নাটকটি। ধীর নাট্যক্রিয়া, দুর্বোধ্য কাঠামো এবং ননরিয়েলিস্টিক সংলাপ সত্ত্বেও নাটকটি বাংলাদেশে বহুবার মঞ্চায়ন করেছে বিভিন্ন নাট্যসংগঠন।

‘অমল’ নামে একটি ছয়-সাত বছরের ছেলে, তারই ক্ষয়, অবসন্নতা ও মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে এই নাটক। দূরে যাওয়ার ইচ্ছা অমলের মনটাকে দেখায়, আর তার রোগের বর্ণনা তার শরীরের চেহারাটা দেখিয়ে দেয়। মুক্তির কথাটা এসেছে রূপকের মাধ্যমে; রাজার ডাকঘর, ডাকঘরের নানা ডাকহরকরা এবং রাজার চিঠি ও রাজকবিরাজ সবই এই রূপকের অঙ্গ। ‘ডাকঘর’ নাটকটি মৃত্যুর বিরুদ্ধে জীবনের প্রতিবাদ। নাটকটিতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আইনুল ইসলাম অপু, রিফাত হোসেন, মাহবুব মাসুম, সুজন, নাফিদ মোমেন মণি, হাফিজা আক্তার ঝুমা, মিঠুন বসু, নজরুল ইসলাম ও শুভশ্রী। নাটকটির সঙ্গীত পরিকল্পনা করেছেন মনোহর চন্দ্র দাস এবং সঙ্গীত প্রক্ষেপণে ছিলেন মনোহর চন্দ্র দাস ও রুমি দে। দ্রব্য সামগ্রী ও পোশাক পরিকল্পনা’য় রিফাত হোসেন। নাটকটির মঞ্চ ও আলো পরিকল্পনা করেছেন আসলাম অরণ্য।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম ও সুকান্ত ভট্টাচার্য এই তিনজন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের দিকপাল। বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী ঢাকা মহানগর সংসদ প্রতিবছর একসঙ্গে এই তিনজনের জয়ন্তী পালন করে আসছে। আলোচনা অনুষ্ঠান, কবিতা, আবৃত্তি, সঙ্গীত এবং নৃত্যের সঙ্গে পরিবেশিত হয়েছে নাটক ‘ডাকঘর’।