২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কোকেন চোরাচালান ॥ আটক ৬ আসামি ফের রিমান্ডে

অনলাইন ডেস্ক ॥ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে সূর্যমুখী তেলের সঙ্গে মিশিয়ে তরল কোকেন আনার ঘটনায় গ্রেফতার ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারও হেফাজতে নেওয়ার অনুমতি পেয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম রহমত আলী শুনানি শেষে ছয় আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে রিমান্ডের আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম মহানগর পিপি ফখরুদ্দিন চৌধুরী বলেন, চাঞ্চল্যকর এই মামলার মূল রহস্য উদঘাটন এবং অন্য আসামিদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ ও গ্রেফতারের জন্য এদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

প্রত্যেক আসামিকে ১০ দিন করে হেফাজতে রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার মো. কামরুজ্জামান।

আদালত আসামি গোলাম মোস্তফা সোহেল, মেহেদী আলম ও সাইফুল ইসলামকে পাঁচদিন করে এবং গার্মেন্টস পণ্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান মণ্ডল গ্রুপের বাণিজ্যিক নির্বাহী আতিকুর রহমান, শিপিং এজেন্ট প্রতিষ্ঠান কসকো বাংলাদেশ শিপিং লাইন্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপক এ কে আজাদ ও মোস্তফা কামালকে দুই দিন করে রিমান্ডে পাঠিয়েছেন।

এর আগে এসব আসামিদের কয়েক দফায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

গত ৮ জুন বন্দরে আসা একটি কনটেইনারের ১০৭টি ড্রাম সূর্যমুখী তেলের নমুনা পরীক্ষা করা হয়।

কায়িক পরীক্ষায় কোকেনের অস্তিত্ব না পেলেও ঢাকার কয়েকটি পরীক্ষাগারে পরীক্ষা শেষে ২৭ জুন একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব পাওয়ার কথা জানান শুল্ক গোয়েন্দারা।

৮ জুলাই আদালতের আদেশে পুনরায় গোয়েন্দা পুলিশ ১০৭টি ড্রামের নমুনা সংগ্রহ করে গোয়েন্দা পুলিশ।

ওই দিনই নমুনা আদালতে হাজির করা হলে মহানগর হাকিম ফরিদ আলম পুনরায় এসব নমুনা ঢাকা সেনানিবাসের আর্মড ফোর্সেস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ ল্যাবরেটরি, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরীক্ষাগার ঢাকা এবং সিআইডি’র ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার আদেশ দেন।

কোকেন জব্দের এই মামলায় এ পর্যন্ত মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও পুলিশ।

সর্বশেষ গত ২ অগাস্ট আদালতে এই মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করে তদন্ত কর্মকর্তা।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং সিআইডি’র পরীক্ষাগারের পরীক্ষায় একটি ড্রামে কোকেনের অস্তিত্ব মিলেছে।