২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

উবাচ

উবাচ

যুদ্ধের প্রস্তুতি নিন ॥ লে জে মাহাবুব

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি কী শেষ পর্যন্ত ক্ষমতায় যেতে যুদ্ধ করবে নাকি! বছরের শুরুর দিকে সে চেষ্টা একবার করেও পিছু হটেছে। কিন্তু এখন আবার নতুন করে যুদ্ধের আহ্বান জানিয়ে দেখছেন নেতাকর্মীরা কেমন সাড়া দেয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য লে.জে. (অব) মাহাবুবুর রহমান সম্প্রতি জাতীয় প্রেসক্লাবে বসে এই যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন প্রস্তুতি নিন। জাতীয় প্রেসক্লাবের কলঙ্কমোচনের মাধ্যমে একটি স্বার্থান্বেষী পক্ষকে বের করে দেয়ায় মাহাবুবুর রহমান মনে বড় আঘাত পেয়েছেন। তার ভাষায়, ‘জাতীয় প্রেসক্লাবে সবকটি গেটে তালা দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করা হচ্ছে।’ এখন প্রশ্ন হচ্ছেÑ প্রেসক্লাবের সব ফটকে যদি তালাই ঝুলত তাহলে মাহাবুবুর রহমান কিভাবে প্রেসক্লাবে প্রবেশ করলেন। আর যদি গণতন্ত্রও না থাকত তাহলে প্রেসক্লাবে বসেই কিভাবে প্রেসক্লাবের সমালোচনা করলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা কাম বর্তমান কোণঠাসা বিএনপি নেতা। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে নেতাকর্মীদের যুদ্ধের জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব) মাহাবুবুর রহমান। দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, আমাদের বাঁচতে হবে। কথা বলার এবং গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনতে হবে। এজন্য সংগ্রামের কোন বিকল্প নেই। জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান ও ছাত্রদল সভাপতি রাজিব আহসানসহ সব নেতাকর্মীর মুক্তির দাবিতে এক প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি এই আহ্বান জানান।

এবার জিএসপি দেবেন রিপন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একদা দেশের পোশাক শিল্পের সঙ্কটময় মুহূর্তে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ভিনদেশী প্রত্রিকায় কলাম লিখে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা কেড়ে নিতে অনুনয় করেছিলেন। বেগম খালেদা জিয়ার কথা রেখেছিল মোড়লরা। এরপর দেশে পোশাক শিল্পের পরিবেশ বেশ উন্নত হয়েছে। কিন্তু জিএসপি সুবিধা পায়নি বাংলাদেশ। অর্থাৎ এখনও কথা রাখছে আমেরিকা। সম্প্রতি জিএসপিপ্রাপ্ত দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে ইউএসএ। কিন্তু সেখানে বাংলাদেশের নাম নেই। এরমধ্যে বিএনপির নয়া মুখপাত্র এ কি বললেন, সরকার চাইলে তারা জিএসপি সুবিধা ফিরিয়ে দিতে সাহায্য করবে। ভাবখানা এমন এখন আমেরিকা নয়, জিএসপি দেবে বিএনপি। আর কেবলমাত্র বিএনপি চাইলেই বিষয়টি সম্ভব।

রিপন বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) বাংলাদেশ ফিরে না পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি বলেছে, এ সুবিধা আদায়ে তারা সরকারকে সহযোগিতা করতে চায়। তিনি বলেন, জিএসপি সুবিধা ফিরে না পাওয়ায় বাংলাদেশ নিঃসন্দেহে ক্ষতিগ্রস্ত হলো, এটা উদ্বেগজনক। এ বিষয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। যুক্তরাষ্ট্র যে কারণে জিএসপি সুবিধা দেয়নি, সেই কারণটি কিন্তু এখন পর্যন্ত বহাল থেকে গেল। এটা দেশের তৈরি পোশাক রফতানির ক্ষেত্রে একটি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আমরা মনে করি। এখন প্রশ্নটা হচ্ছেÑ বিএনপি যদি মনেই করে এটাতে দেশের ক্ষতি হবে তাহলে বেগম জিয়া সেদিন কেন কলাম লিখেছিলেন ভিনদেশী পত্রিকায়। তিনি তো সাধারণত লেখালেখি করেন না। তাহলে জিএসপি কেড়ে নেয়ার জন্য উস্কানি দেয়ার দরকারটা কী ছিল।

জামায়াতের ভাষায়

চট্টোপাধ্যায় হলেন

হোসেন

স্টাফ রিপোর্টার ॥ খুন হয় চট্টোপাধ্যায় আর নিন্দা জোটে হোসেনের কপালে। গত সপ্তাহের আলোচিত ঘটনাগুলোর মধ্যে ব্লগার নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায় নিলয় হত্যাকা- অন্যতম। কিন্তু জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হামিদুর রহমান আযাদ প্রেরিত বিবৃতিতে ‘নিলয় হোসেন’ উল্লেখ করে খুনের প্রতিবাদ জানায় জামায়াত। একই ভুল আরও একটি ইসলামী দল করে। তারা অবশ্য হোসেনের যায়গায় আহমেদ ব্যবহার করছিল। প্রমাণ রয়েছে এইসব দলের সঙ্গে জামায়াতের ভিতরের সম্পর্ক বেশ পাক্কা। গণজাগরণ মঞ্চকে বিতর্কিত করতে জামায়াতী প্রচার মাধ্যম বাঁশের কেল্লার বড় ভূমিকা রয়েছে। এই বাঁশের কেল্লার মাধ্যমেই ছড়ানো হয় ব্লগাররা নাস্তিক। একের পর এক ব্লগার হত্যার মধ্যে নিলয় খুন হলো। প্রশ্ন উঠেছেÑ খুনীরা কি খুনের আগে জানতই না নিলয় আসলে মুসলমানই নয়। না হলে চট্টপাধ্যয় কি করে হোসেন বা আহমেদ হয়! দিনে দুপুরে রাজধানীর গোড়ানে ঘরে থেকে মৌলবাদীরা কুপিয়ে হত্যা করে নিলয়কে। যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গণজাগরণ আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন নিলয়। তাকে হত্যার দায় স্বীকার করে বার্তা এসেছে আল কায়দার ভারতীয় দেশ শাখার নামে। নিলয় হত্যাকা-ের মধ্য দিয়ে জনগণের নিরাপত্তা বিধানে সরকারের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়েছে বলে বিবৃতিতে দাবি করেছেন জামায়াত নেতা হামিদুর।