১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই চলছে দন্ত ও শিশু বিভাগ

  • যশোর ২৫ শয্যা হাসপাতাল

স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ছাড়াই চলছে দন্ত ও শিশু বিভাগ। দন্ত বিভাগের দু’জন সার্জন মারাত্মক অসুস্থ। এঁদের একজন দু’মাসের ছুটিতে বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অপরজনও অসুস্থতার কারণে টানা ছুটিতে রয়েছেন। আবার শিশু বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদশূন্য রয়েছে ৪ মাস। এ বিভাগের একমাত্র সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ মাহফুজুর রহমান হজে যাওয়ার জন্য ছুটি নেয়ায় শিশু বিভাগ চিকিৎসক সঙ্কটে পড়েছে। একজন মেডিক্যাল অফিসার শিশু রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ সাহা।

জানা গেছে, ওই হাসপাতালে ডেন্টাল সার্জন পদে দু’জন চিকিৎসক কর্মরত। এঁরা হলেনÑ ডাঃ মাহবুবুর রহমান ও ডাঃ কাজী শামীম আহমেদ। প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, এর মধ্যে ডাঃ মাহবুবুর রহমান জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে গত ১১ জুলাই থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি নিয়ে বিদেশে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর ডাঃ কাজী শামীম আহমেদ ১১ আগস্ট থেকে ছুটিতে রয়েছেন। তিনিও মারাত্মক অসুস্থ। বর্তমানে দন্ত বিভাগে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন সহকারী ডেন্টাল সার্জন ডাঃ মাহফুজা শারমিন। এ হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্তঃবিভাগের দন্ত সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের জন্য তিনি একমাত্র ভরসা। ডাঃ মাহফুজা শারমিন জানান, বহির্বিভাগে দায়িত্ব পালন করাকালে তিনি প্রতিদিন হিমশিম খাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি ৮২ জন রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছেন। কষ্ট হলেও সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছেন ডাঃ মাহফুজা শারমিন। প্রশাসনিক সূত্র আরও জানিয়েছে, দীর্ঘ ৪ মাস ধরে এ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পদটি খালি রয়েছে। এ বিভাগের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছিলেন সহকারী রেজিস্ট্রার ডাঃ মাহফুজুর রহমান। তিনি মেডিক্যাল অফিসারের রেফার্ড করা কিছুসংখ্যক রোগীকে দেখার পাশাপাশি অন্তঃবিভাগের রোগীর ব্যবস্থাপত্র দেয়ার দায়িত্ব তার ছিল। কিন্তু ডাঃ মাহফুজুর রহমান হজে যাওয়ার জন্য ছুটি নেয়ায় হাসপাতালের শিশু বিভাগটি চিকিৎসক শূন্য হয়ে পড়েছে। বর্তমানে মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ আব্দুস সামাদ একাই শিশু রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। এ চিকিৎসক জানিয়েছেন, শিশু বিভাগে দু’জন মেডিক্যাল অফিসারের প্রয়োজন। শুধুমাত্র বহিঃবিভাগে প্রতিদিন ১ থেকে দেড়শ’ রোগী চিকিৎসা গ্রহণ করছে। আবার ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীতো আছেই। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা পর্যন্ত ডাঃ আব্দুস সামাদ ১শ’ ২৮ রোগীর ব্যবস্থাপত্র দিয়েছেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ শ্যামল কৃষ্ণ সাহা জানিয়েছেন, দন্ত ও শিশু বিভাগ নিয়ে তিনি রীতিমতো উদ্বিগ্ন।