২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মুন্সীগঞ্জে কৃষিজমির মাটি বিক্রি ॥ উর্বরতা হ্রাস

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ সিরাজদিখান উপজেলার চরবয়রাগাদী ঘাটসহ কয়েকটি স্থানের সরকারী খাস ও কৃষিজমির মাটি খননযন্ত্র (এক্সেভেটর) বা ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে কেটে ইটভাঁটিতে নেয়া হচ্ছে। বসতবাড়ির গর্ত ভরাটের জন্যও এসব মাটি নেয়া হচ্ছে। অবৈধভাবে এ মাটি কেটে নেয়ায় একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে, অপর দিকে কৃষি জমির উর্বরা শক্তি কমে যাচ্ছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তিন-চারটি খননযন্ত্র দিয়ে মাটি কাটছেন। ইছামতি ও ধলেশ্বরী নদীর খাল দিয়ে মাটি কাটার বলগেট ও ট্রলার করে নারায়গঞ্জ, বক্তাবলী, ফতুল্লা, জাজিরা, বালুচরের ইটভাঁটিসহ বিভিন্ন বসতবাড়ির গর্ত ভরাটের জন্য এসব মাটি কেটে নেয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ফুরশাইল মৌজা এলাকাতে মাটিকাটা হয়েছে। এখন চরবয়রাগাদী সরকারী খাস খতিয়ানভুক্ত ফুরসাইল মৌজার ১নং খতিয়ানভুক্ত ৩১৭৪ নং দাগে মাটি কাটা হচ্ছে। চরবয়রাগাদীর পূর্ব দিকে মরা ইছামতি, ধরেশ্বরী নদীর ওপর শুকনা মৌসুমে মাটির ট্রাক আসা-যাওয়ার জন্য রাস্তা করা হয়েছে। চরবয়রাগাদী গ্রামের আয়েশা বেগম বলেন, উপজেলার ফুরশাইল মৌজার খাস খতিয়ানের ১/১০৩০ দাগ নং ৩১১৮/৩৩৯০এর ৩০ শতাংশ জমি আমি নিরানব্বই বছরের জন্য লিজ নিয়েছি, তথাপি চরবয়রাগাদী গ্রামের মৃত অলি মিয়ার ছেলে নূরুল ইসলাম, নূরু ইসলামের ছেলে ওয়াসিম, তাইজদ্দিন ফকিরের ছেলে আঃ খালেক, দিদার, মোশারফ, মোহাম্মদ, আওলাদ কাশেম জোর করে আমার জমি থেকে মাটি কিনে নিয়ে যাচ্ছে। সিরাজদিখান উপজেলার সরকার দলীয় নেতাদের যোগসাজশে দুই মাস যাবত সরকারী খাস সম্পত্তি মাটি কেটে নিচ্ছে এমনটাই অভিযোগ করেন তিনি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার শাহিনা পারভীন বলেন, ‘এর আগে সার্ভেয়ার পাঠিয়েছিলাম। মাপঝোঁক শেষে তিনি সীমানা নির্ধারণ করে দিয়েছেন, যাতে সরকারী জায়গা থেকে মাটিকাটা না হয়। বর্তমানে কাটছে কি না, জানি না।

নির্বাচিত সংবাদ