১৮ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পেট্রাপোলের অবকাঠামো উন্নয়নে ২ হাজার কোটি রুপী চাইলেন মমতা

  • লক্ষ্য চার দেশের সীমান্ত বাণিজ্য বৃদ্ধি

অর্থনৈতিক রিপোর্টার ॥ বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে চার দেশীয় বাণিজ্য বাড়াতে অবকাঠামোগত উন্নয়নে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুই হাজার কোটি রুপী বরাদ্দ চাইলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

গত বুধবার বিকেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কার্যালয়ে বৈঠক করে এই বরাদ্দ চান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এ সময় বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের (বিবিআইএন) মধ্যকার আন্তর্জাতিক করিডর প্রকল্পের প্রস্তাবনাও প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা ব্যানার্জি বলেন, ইন্দো-বাংলা বাণিজ্যের মূল পয়েন্ট হলো পেট্রাপোল। এ স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দুই হাজার কোটি রুপী বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে।

ভারতের পূর্বমুখী নীতিকে আরও জোরদারের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার এলাকায় ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ভূমি সংযুক্ত। এছাড়া নেপাল এবং ভুটান সীমান্তেও ভারতের সংযুক্ত রয়েছে।

প্রসঙ্গত, ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে গত ১৫ জুন বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের (বিবিআইএন) মধ্যে সড়ক পথে যান চলাচল চুক্তি হয়েছে। চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, যান চলাচলের জন্য চার দেশের মধ্যে রুট পারমিট নিতে হবে এবং এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাওয়ার সময় মাঝপথে কোন যাত্রী তোলা বা মালামাল বোঝাই করা যাবে না। যে দেশের উপর দিয়ে যান যাবে, সেই দেশের কর্তৃপক্ষ ইচ্ছা করলে তা অনুসন্ধান ও পরীক্ষা-নীরিক্ষা করতে পারবে। কোন দেশের নিষিদ্ধ পণ্য আরেক দেশের উপর দিয়ে পরিবহন করা যাবে না।

চুক্তির আওতায়, যান চলাচলের জন্য সংশ্লিষ্ট দেশ নিজেদের নির্ধারিত হারে ‘ট্রানজিট ফি’ আদায় করবে। তিন বছর পরপর এই চুক্তি নবায়ন হবে। তবে কোন দেশ চাইলে ৬ মাসের নোটিস দিয়ে চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিতে পারবে।

বাংলাদেশের সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছিলেন, ইউরোপের আদলে এই বাংলাদেশ-ভুটান-ভারত-নেপালের মধ্যে ২০১৬ সালে যান চলাচল শুরু করা যাবে। যাতায়াতে ভিসা বা ইমিগ্রেশনে আন্তর্জাতিক নিয়ম মেনে চলতে হবে।