১২ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চীনে বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় বন্দর শহর তিয়ানজিনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৮৫ জনে দাঁড়িয়েছে। বুধবারের ওই বিস্ফোরণে আহতের সংখ্যা ৭২০ পেরিয়ে গেছে। নগরীর উত্তরাঞ্চলীয় ডেপুটি প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে নিহতদের মধ্যে ২১ দমকল কর্মী থাকার কথা জানান। বহু দমকল কর্মী এখনও নিখোঁজ।

দেড়কোটি জনসংখ্যার এই শহরটিতে কয়েক কিলোমিটার দূর থেকেও অধিবাসীরা বিস্ফোরণের ফলে সৃষ্ট কম্পন টের পেয়েছেন।

উদ্ধারকারীদল শুক্রবার ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে একজন জীবিতকে খুঁজে পেয়েছে। বিস্ফোরণের ৩২ ঘণ্টা পর ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়। তিয়ানজিনের দমকল বিভাগের প্রধান ঝোউ তিয়ান সাংবাদিকদের বলেন, ১৪০টি ফায়ার ইঞ্জিন নিয়ে এক হাজারেরও বেশি দমকলকর্মী বিস্ফোরণস্থলের আগুন নেভানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিয়ানজিন পোর্ট গ্রুপ কোম্পানি বলেছে, তাদের বহুসংখ্যক কর্মীর কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

রুইহাই লজিস্টিকস কোম্পানির ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, তাদের পণ্যের মধ্যে আছে বিভিন্ন বিষাক্ত রাসায়নিকসহ কমপ্রেসড গ্যাস এবং দাহ্য তরলও। এগুলো পানির সংস্পর্শে আসলে মারাত্মক বিস্ফোরণ ঘটতে পারে। বিস্ফোরণের সময় কোম্পানির ওয়্যারহাউজে কি কি ছিল এবং কি কারণে বিস্ফোরণ ঘটল তা এখনও জানা সম্ভব হয়নি বলে শুক্রবার জানিয়েছেন নগরীর কর্মকর্তারা।

সামরিক বাহিনীর রাসায়নিক বিশেষজ্ঞরা বিস্ফোরণস্থলে বিষাক্ত গ্যাসের মাত্রা পরীক্ষা করে দেখছেন এবং উদ্ধারকারীদের সুরক্ষিত পোশাক পরতে বলা হয়েছে। বিস্ফোরণের পর চীনের সামরিক বাহিনীর ২১৭ সদস্যের পরমাণু ও বায়োকেমিক্যাল বিশেষজ্ঞের একটি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে। পরিবেশের ওপর এ শিল্পদুর্ঘটনার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে এরই মধ্যে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে তিয়ানজিনের বাসিন্দারা।

তিয়ানজিনের পরিবেশ সুরক্ষা ব্যুরোর প্রধান জানিয়েছেন, এলাকাটিতে দূষণের মাত্রা পর্যবেক্ষণ করে দেখা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, বাতাসে বিষাক্ত গ্যাসের পরিমাণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং স্থানীয়দের জন্য এটা নিরাপদ।

-ওয়েবসাইট