১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বাড্ডায় থমথমে পরিস্থিতি ভয়ে কেউ মুখ খুলছে না

  • হত্যা মামলা দায়ের

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রাজধানীর বাড্ডায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে সরকারদলীয় তিন নেতা নিহত এবং একজন আহত হওয়ার ঘটনায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুরো এলাকায় শুনশান নীরবতা বিরাজ করছে। কেউ ভয়ে মুখ খুলতে চায় না। অনেক দোকানপাট শনিবারও বন্ধ ছিল। যাকেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তিনিই এলাকায় নতুন এসেছেন বলে দায় এড়িয়ে যান। হতাহতদের বাড়িতে চলছে মাতম।

এদিকে শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে নিহত স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মাহবুবুর রহমান গামার বাবা মতিউর রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার রফিকুল ইসলাম। তবে গ্রেফতার হয়নি হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত কেউই। ইতোমধ্যে হত্যাকা-ের ঘটনায় পুলিশ অনেককেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। হত্যাকা-ের সঙ্গে জড়িত থাকা সন্দেহে অনেককেই নজরদারিতে রাখা হয়েছে। যে কোন সময় তাদের আটক বা গ্রেফতার করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে রাজধানীর বাড্ডা থানাধীন মধ্যবাড্ডার আদর্শনগরের আল সামি হাসপাতাল সংলগ্ন ঢাকা ওয়াসার ৮ নম্বর মডস জোনের ভেতরে ঘটনাটি ঘটে। হতাহতরা প্রতিদিনের মতো সেখানে বসে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান সফল করার বিষয়ে আলাপ আলোচনা করছিলেন। আচমকা কয়েক সন্ত্রাসী সেখানে প্রবেশ করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে ঘটনাস্থলেই যুবলীগ কর্মী ও উত্তর বাড্ডার এইচএএফ হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ফিরোজ আহমেদ মানিক ( ৪৫) ও ঢাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসুদ্দিন মোল্ল্যা ওরফে শামছু মোল্ল্যার (৫৩) মৃত্যু হয়।

আহত হন যুবলীগ নেতা আব্দুস সালাম (৪৩) ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঢাকা উত্তরের সহকারী সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান গামা (৪৫)। আব্দুস সালাম ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৪ আগস্ট রাজধানীর গুলশান ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যু হয় গামার।