২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুষ্টিয়ায় শর্টগান উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে থাকা ব্যক্তি সনাক্ত

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া ॥ কুষ্টিয়ায় জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে বিবাদমান আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের সংঘর্ষের সময় হাতে শর্টগান উঁচিয়ে গুলি ছুড়তে থাকা ব্যক্তি পুলিশের একজন সাবেক এএসআই। তার নাম আনিচুর রহমান ওরফে আনিচ। ভিডিও ফুটেজ দেখে তাকে সনাক্ত করা গেছে। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজের লাইসেন্সধারী শর্টগান ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আনিচুর রহমান প্রায় দেড় বছর আগে ঢাকার পল্লবী থানায় থাকা কালে ফেনসিডিল আত্মসাতের দায়ে চাকরিচ্যুত হন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চলমান। জাতীয় শোক দিবসে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয়া শেষে আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত সাবেক নেতা ও স্বেচ্ছাসেবকলীগের মধ্যে ওই সংঘর্ষ ও হত্যাকান্ডের ঘটনায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ পর্যন্ত তিনজনকে আটক করেছে। তবে এ মুহুর্তে তাদের নাম পরিচয় জানাতে রাজী হয়নি পুলিশ। জানা গেছে, বরখাস্ত হওয়া পুলিশ কর্মকর্তা আনিচ বহিষ্কৃত নেতা মোমিনুর রহমান মোমিজের চাচাতো বেয়াই এবং প্রতিবেশী। এদিকে রবিবার সকালে কুষ্টিয়ায় হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি একরাম উল হাবিব। তিনি প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য জানতে চাইলে স্থানীয়রা মুখ খোলেনি। এসময় উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে তিনি বলেন, পুলিশের হাতে ক্লু রয়েছে। আশা করা হচ্ছে ঘটনার রহস্য উদঘাটন করবে। পুলিশের কোন গাফিলতি ছিল কিনা তা আমরা খতিয়ে দেখবো। সে যেই হোক গাফলতি থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে রবিবার ভোর রাতে জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজের লাইসেন্সধারী শর্টগান ৫৬ রাউন্ড গুলিসহ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উল্লেখ্য, শনিবার জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালনকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়ায় বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী সবুজ হোসেন (২২) নিহতসহ অন্তত ৫ জন আহত হয়।