২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

৫৪ আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশীয় বিমান বিধ্বস্ত

জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ ইন্দোনেশিয়ার একটি বিমান ৫৪ আরোহী নিয়ে পাপুয়া অঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়েছে। রবিবার স্থানীয় সময় বিকেল তিনটার দিকে এটি বিধ্বস্ত হয়। কর্মকর্তারা জানান, পাপুয়া অঞ্চলের পশ্চিমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। বিমানটির কোন আরোহী প্রাণে রক্ষা পেয়েছে কিনা তা এখনও জানা যায়নি। খবর বিবিসি ও এএফপির।

আঞ্চলিক রাজধানী জয়পুরার সেন্তানি বিমানবন্দর থেকে ত্রিগানা এয়ারের এটিআর ৪২ বিমানটি উড্ডয়ন করে। স্থানীয় সময় বিকেল তিনটার সামান্য আগে (গ্রিনিচ মান ০৬০০) বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এটি দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর ওকসিবিলে যাচ্ছিল। বিমানটি সেন্তানি বিমানবন্দর থেকে স্থানীয় সময় দুটা ২১ মিনিটে উড্ডয়ন করে এবং দুটা ৫৫ মিনিটে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এতে পাঁচ শিশুসহ ৪৯ যাত্রী ও পাঁচ ক্রু ছিল।

ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী জানান, বিনতাং মালভূমি এলাকায় বিমানটির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। এলাকাটি ওকসিবিল বিমানবন্দর থেকে বেশি দূরে নয়। স্থানীয় গ্রামবাসী বিমানটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পায়।

গ্রামবাসীর উদ্ধৃতি দিয়ে দেশটির বিমান পরিবহন সংস্থার মহাপরিচালক সুপ্রাসেতো জানান, বিমানটি তানগক পর্বতে বিধ্বস্ত হয়। খারাপ আবহাওয়ার কারণে এটি বিধ্বস্ত হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে পরিবহন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জুলিয়াস বারাতা বিমান নিখোঁজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি এএফপিকে বলেন, বিমানটির কি পরিণতি হয়েছে সে ব্যাপারে আমরা নিশ্চিত নই। আমরা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি।

তিনি বলেন, বর্তমানে সেখানকার আবহাওয়া খুবই খারাপ। সেখানকার আকাশ খুবই মেঘাচ্ছন্ন এবং অন্ধকার। বিমানটির অনুসন্ধান কাজ শুরু হয়নি। এলাকাটি পার্বত্য বলে জানান তিনি। এ্যাভিয়েশন সেফটি নেটওয়ার্ক জানায়, ১৯৯১ সালে ত্রিগানা এয়ার যাত্রা শুরু করার পর এ পর্যন্ত ১৪ বার মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয়। এ পর্যন্ত তাদের ১০টি বিমান বিধ্বস্ত হয়। বিমান সংস্থাটি ২০০৭ সাল থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কালো তালিকাভুক্ত। এ তালিকায় ইন্দোনেশিয়ার চারটি বিমান সংস্থা ছাড়া সবই রয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ