১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি ৪০ অভিবাসীর মৃত্যু

ইতালির অদূরে ভূমধ্যসাগরে একটি নৌকার খোলে শনিবার কমপক্ষে ৪০ জন অভিবাসী মারা গেছে। হাজার হাজার লোক ইতালি ও গ্রীসে পৌঁছবার জন্য ভূমধ্যসাগর অতিক্রমে বিপজ্জনক পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দেখা দিয়েছে সবচেয়ে মারাত্মক শরণার্থী সঙ্কট। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এ সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার। খবর এএফপির

ইতালীয় নৌবাহিনী টুইটারে বলেছে, উদ্ধারকাজ চলছে। অনেক অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে। অন্তত ৪০ জন মারা গেছে। কুরিয়ার ডেলা সেরা পত্রিকা জানিয়েছে, নৌকার খোলে যাদের মৃত পাওয়া গেছে তারা পাটাতনের নিচে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা গেছে বলে মনে হয়। উদ্ধার অভিযানস্থলে ইতালি রাইনিউজ টিভির এক রিপোর্টার বলেন, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে ঘটনাস্থলে ইতালীয় নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হয়েছে। দেখা গেছে, নৌকাটি অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ছিল এবং ইতালীয় দ্বীপ লাম্পেদুমার দক্ষিণে লিবীয় উপকূল থেকে প্রায় ২১ নটিক্যাল মাইল দূরে নৌকাটি ডুবতে শুরু করে। ইতালীয় নৌবাহিনীর একটি টহল যান দুর্ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে স্থানীয় সময় সকাল ৭টায়।

যানের নাবিকরা এখানে পৌঁছে এক নির্মম দৃশ্য দেখতে পান। কমান্ডার মাসিমো তোজি ইতালীয় সংবাদ সংস্থা এজিআইকে বলেন, আমরা খুবই এক আবেগবহুল দৃশ্যের সম্মুখীন হই। কিভাবে বেশকিছু মৃতদেহ পানিতে ভাসছে তিনি সে বর্ণনা দেন। ৪৫ জন নারী ও ৩ শিশুসহ ৩শ’ ১২ জনকে উদ্ধার করে তাদের নরওয়ের নৌযান সিম পাইলটে স্থানান্তর করা হয়। ভূমধ্যসাগরে শনিবার আরও প্রায় ৪শ’ অভিবাসীকে উদ্ধার করা হয়।

লিবিয়া থেকে যে সকল অভিবাসী এ বিপজ্জনক পাড়ি দিতে সক্ষম হয় তাদের কাছে শোনা যায়, পাচারকারীরা তাদের কিভাবে নৌকার খোলে পুরে রাখে। পাঠাতনের নিচে সঙ্কীর্ণ পরিসরে গাদাগাদি অবস্থায় তারা কেবল নৌকা ডুবে যাওয়ার ঝুঁকিতেই থাকে না, থাকে ডিজেলের ধুঁয়োয় শ্বাস বন্ধ হয়ে মৃত্যুর ঝুঁকিতেও।