২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

তিন নারীর সঙ্গে প্রেম, অবশেষে পুলিশের হাতে নৌবাহিনী সদস্য

স্টাফ রিপের্টার, যশোর অফিস ॥ তিন নারী ‘ফেসবুক ফ্রেন্ডে’র সঙ্গে প্রেম করে তবিবর রহমান নামে নৌবাহিনীর এক সদস্য শেষপর্যন্ত ধরা খেয়েছেন পুলিশের হাতে। রবিবার বিকেলে যশোর শহরের ডা.আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজের সামনে তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে দেয় ওই নারীদের স্বজনরা। তবিবর মণিরামপুর উপজেলার নেহালপুর গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

কোতোয়ালি থানার এএসআই জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, তবিবর রহমান একই সঙ্গে তিন মেয়ের সাথে প্রেম করতেন। রবিবার দুপুরে তিনি একজনের সাথে দেখা করতে যশোরে আসেন। ওই মেয়ের সঙ্গে তবিবরের পূর্বের প্রেমিকা ছিল। তারা আগে থেকে সেখানে কয়েকজনকে সংবাদ দিলে তবিবরকে ধরে গণপিটুনি দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে আসে।

তবিবর রহমান জানিয়েছেন, তিনি ৫ বছর হলো নৌবাহিনীর ল্যান্স কর্পোরাল হিসেবে চাকরি করছেন। বর্তমানে তিনি খুলনায় আছেন। ফেসবুকের মাধ্যমে শহরের বারান্দীপাড়ার রুকাইয়া নামে এক মেয়ের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব হয়। রুকাইয়া ফেসবুক আইডিতে নিজের নাম জেরিন জান্নাত হিসেবে পরিচিত। তিনি তাকে বিয়েরও প্রস্তাব দেন। কিন্তু জেরিন তার সঙ্গে নানা ছলচাতুরীর আশ্রয় নেয়। সে তার খালাতো বোন মরিয়ম শাহরিয়ারকে পরিচয় করিয়ে দেয়। মরিয়মকেও তিনি বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু মরিয়ম বিবাহিত বলে রাজি হয়নি। পরে তারাই তাদের অপর বন্ধু ইন্নাকে ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দেয়। তিনি কথা বলতে থাকলে রবিবার তারাই পরিকল্পিভাবে শহরে ডেকে নিয়ে আসে।

তিনি বলেছেন, আমি একজনের সঙ্গে প্রেম করেছি। তাকে বিয়েরও প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু তিন জনে একত্রিত হয়ে তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছে। ওই তিন নারীর সঙ্গে তিনি কোন প্রতারণা করেননি। তিন জনের মধ্যে রুকাইয়া ও ইন্না মহিলা কলেজে এবং মরিয়ম আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজে লেখাপাড়া করে বলে তবিবর জানিয়েছেন।

কোতোয়ালি থানার ডিউটি অফিসার এসআই বিপ্লব হোসেন জানিয়েছেন, তিন নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে তবিবরকে থানায় নেয়া হয়েছে। এই বিষয়ে পুলিশের উর্ধতন কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেবে।