২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

মাছের আড়তে র‌্যাবের অভিযানে ভেজাল চিংড়িসহ আটক ৯

স্টাফ রিপোর্টার ॥ মাছে বড়জোর ফরমালিন দিয়ে ভেজাল করা যায়। কিন্তু পেটে পাথর ঢুকিয়ে ওজন বাড়ানোর জন্য ভেজালের এ কৌশলও ধরা পড়ে যাবে, তেমনটি ছিল ওদের ধারণাতীত। রবিবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে হানা দিয়ে এমনই পাঁচ শ’ কেজি ভেজাল গলদা চিংড়ি জব্দ করার পর ধ্বংস করেছে র‌্যাব পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। যাত্রাবাড়ীর কয়েকটি মৎস্য আড়তে হানা দেয়ার খবর পেয়ে বাকি মৎস্যব্যবসায়ীরা গা-ঢাকা দেয়।

র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন এবং মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তা মোঃ নাজিম উদ্দিন আহমেদের সমন্বয়ে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় বুড়িগঙ্গা মৎস্য আড়ত, ঢাকা মৎস্য আড়ত, যাত্রাবাড়ী মৎস্য আড়তে অভিযান পরিচালনা করে ৫০০ কেজি ভেজাল গলদা চিংড়ি জব্দসহ ৯ মৎস্য বিক্রেতাকে আটক করাা হয়। তারা হলেন দিপংকর শ্রী উজ্জল (২৮), তাপষ ম-ল (১৮), আব্দুর রাজ্জাক (৩২), বেজুন বৌদ্ধ (২৮), শ্রীঃ অমিত বিশ্বাস (২৬), আজিজুল চৌকিদার (২৯), কার্তিক ম-ল (২৯) ও মোঃ সাদেক হোসেন (২১)। তাদের প্রত্যেককে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করা হয়।

র‌্যাব জানায়, চাহিদা মেটানো ও বেশি মুনাফার আশায় দেশের সুমদ্র তীরবর্তী অঞ্চল সাতক্ষীরা, মুন্সীগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, বরিশাল এলাকা হতে এ মাছ সংগ্রহ করা হয়। পরে মাছের ওজন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ইনজেকশন পুশ করা হয় যা স্বাস্থ্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ভেজাল আইসক্রিম ॥ রাজধানীর রামপুরা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ভেজাল আইসক্রিম কারখানার মালিকসহ দুইজনকে দ- দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। রবিবার দুপুর ১২টা থেকে এ অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব-২ এ অভিযান পরিচালনায় সহায়তা করে। এ বিষয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হেলাল উদ্দিন জানান, রামপুরার ওপায়দা রোডের মারিয়া আইসক্রিম কারখানায় অভিযান চালানো হয়।

এ সময় কারখানার নোংরা পরিবেশে কাপড়ের রঙ, আইসক্রিম তৈরিতে সরাসরি ওয়াসার পানি ব্যবহার এবং স্যাকারিন ব্যবহারের জন্য কারখানার মালিক মহিউদ্দিন (৫৫) এবং কারিগর জাফর আহমেদকে (৪৮) জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও পণ্য তৈরিতে বিএসটিআই’র অনুমোদন নেই।

হেলাল উদ্দিন জানান, মালিক মহিউদ্দিনকে দুই মাসের কারাদ- এবং ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাস কারাদ- দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া কারিগর জাফর আহমেদকে ২ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ২ মাস কারাদ- দেয়া হয়েছে। অভিযানে ১ লাখ ২০ হাজার পিস আইসক্রিম ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এবং কারখানাটি সিলগালা করা হয়।