২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শান্তি আলোচনার জন্য ইথিওপিয়ায় দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট

অনলাইন ডেস্ক ॥ দক্ষিণ সুদানের প্রেসিডেন্ট সালভা কির গৃহযুদ্ধ অবসানে শান্তি আলোচনার জন্য রবিবার ইথিওপিয়া এসে পৌঁছেছেন। আন্তর্জাতিক বিশ্বের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার হুমকির প্রেক্ষাপটে আগের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তিনি শান্তি আলোচনায় যোগ দিচ্ছেন।

কির সতর্কবাণী করেছেন, বিরোধী সকল পক্ষ আলোচনায় যোগ না দিলে একটি স্থায়ী বা পূর্ণাঙ্গ শান্তি চুক্তি হওয়া সম্ভব নয়। তিনি এও বলেছেন, বিদ্রোহী নেতৃবৃন্দ ও আঞ্চলিক প্রেসিডেন্টের পাশাপাশি আলোচনায় যোগ দিতে তাকে ‘বাধ্য’ করা হয়েছে।

জুবা ত্যাগ করার আগে কির বলেন, ‘শান্তি চুক্তি টেকসই না হলে তা স্বাক্ষরিত হতে পারে না।’

তিনি বলেন, ‘আপনাদের এমন কিছু স্বাক্ষর করা উচিত যা আপনারা উপভোগ করতে পারবেন। আজ আমরা স্বাক্ষর করলাম, কাল আবার যুদ্ধে ফিরে গেলাম। তাহলে আমাদের কি অর্জন হলো?’

গত ২০ মাসের গৃহযুদ্ধের অবসানে নির্ধারিত সময়সূচি সোমবারের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে দক্ষিণ সুদান সরকার ও বিদ্রোহীদের ওপর কূটনৈতিক চাপ রয়েছে। দেশটিতে গৃহযুদ্ধে কয়েক হাজার লোক নিহত হয়েছে।

কিরের প্রধান প্রতিপক্ষ বিদ্রোহী দলের প্রধান রিয়েক ম্যাচারকে আদ্দিস আবাবায় প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে, তিনি গত কয়েক দিন ধরে আদ্দিস আবাবায় রয়েছেন।

বিদ্রোহী বাহিনী বিভক্ত হওয়ার কারণে একটি কার্যকর চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব নয় উল্লেখ করে এর আগে কির শান্তি আলোচনায় তার সহকারিকে পাঠানোর কথা বলেছিলেন। তবে আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে পরামর্শের পর তিনি রোববার নিজে ওই আলোচনায় যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

২০১৩ সালের ডিসেম্বরে দক্ষিণ সুদানে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এ সময় কির তার সাবেক ডেপুটি ম্যাচারের বিরুদ্ধে একটি অভ্যুত্থান পরিকল্পনার অভিযোগ করেন।

জাতিসংঘের তথ্যানুযায়ী, দেশের ৭০ শতাংশেরও বেশি লোকের এখন সাহায্য প্রয়োজন। এ ছাড়া ২২ লাখ লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকা দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে।

দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে কমপক্ষে ছয়টি অস্ত্রবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। তবে তা কয়েকদিন এমনকি কয়েক ঘন্টার মধ্যে ভেঙে গেছে।