২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্রাজিলে প্রেসিডেন্টকে অভিসংশনের দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভ

ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট দিলমা রুসেফের অভিসংশনের দাবিতে রবিবার দেশজুড়ে লাখো মানুষ বিক্ষোভ করেছে। বিক্ষোভকারীরা দিলমা ও তার দল বামপন্থী ওয়ার্কার্স পার্টির বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ এনেছে। একই সঙ্গে গত ২৫ বছরের মধ্যে দেশটির অর্থনীতির চরম দুরবস্থার জন্যও তার সরকারকে দায়ী করেছে তারা। খবর বিবিসি ও এএফপির।

দেশটির অন্যতম প্রধান শহর সাও পাওলোর রাজপথ থেকে কোপাকাবানা সমুদ্রসৈকত ও আরও বেশ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভ করেছে সরকারবিরোধী আন্দোলনকারীরা। রাজধানী ব্রাসিলিয়ায় কংগ্রেসের বাইরে সমবেত বিক্ষোভকারীরা জাতীয় সঙ্গীত গাইছিল আর ‘দিলমা তুমি চলে যাও’ বলে সেøাগান দেয়। একই চিত্র ছিল রিও ডি জেনেরিও, সাও পাওলোসহ ব্রাজিলের অন্য শহরগুলোতেও। বিক্ষোভকারীদের অনেকে ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবলদলের জার্সি পরে ‘দিলমা আউট’ লেখা ব্যানার নিয়ে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সেøাগান দেন। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেছেন, রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত তেল ও জ্বালানি কোম্পানি পেট্রব্রাসে ঘুষ ও দুর্নীতির যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে তাতে রুসেফ জড়িত না হলেও তার অজ্ঞাতসারে কিছু ঘটেনি। এ ব্যাপারে তাদের যুক্তি, যে সময়ে এসব কর্মকা- ঘটেছে সেই সময়ে প্রেসিডেন্টের পদাধিকার বলে রুসেফ ওই কোম্পানির প্রধান ছিলেন। পাশাপাশি দুর্নীতির বিরুদ্ধেও তিনি কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেননি। আইনজীবীরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় এই কোম্পানিতে কাজ বাগিয়ে নেয়ার জন্য ক্ষমতাসীন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতাদের ঘুষ দিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সাও পাওলোর বিক্ষোভে অংশ নিয়ে বিক্ষোভের আয়োজক সংগঠন ‘ভেম প্রা রুয়া’-এর নেতা রোজেরিও চেকুয়ার বলেন, দুর্নীতি আমরা আর সইতে পারছি না।

নিউইয়র্কে মর্গান ফ্রিম্যানের নাতনি ছুরিকাঘাতে নিহত

নিউইয়র্কে অস্কার বিজয়ী অভিনেতা মরগান ফ্রিম্যানের সৎ নাতনিকে তার প্রেমিক ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছে। রবিবার দেশটির গণমাধ্যম থেকে একথা জানা গেছে। খবর এএফপির।

কর্মকর্তারা জানান, ইডেনা হাইনেসকে (৩৩) রবিবার ভোরে ম্যানহাটনের একটি রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাকে কয়েকবার ছুরিকাঘাত করা হয়। দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, ৩০ বছর বয়সী ওই প্রেমিককে পুলিশের হেফাজতে এনে মানসিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত মেয়েটির সঙ্গে ফ্রিম্যানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল না। তার দাদি এক সময়ে এই তারকাকে বিয়ে করেছিলেন। চলচ্চিত্রে ও ছোট পর্দায় অভিনয়ের মাধ্যমে ফ্রিম্যান আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত ছিলেন। ২০০৫ সালে ‘মিলিয়ন ডলার বেবি’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্যে অস্কারে বেস্ট সাপোর্টিং এ্যাক্টর পুরস্কার পান।