২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে রিয়ালেই রামোস

স্পোর্টস রিপোর্টার ॥ অব্যাহত গুঞ্জন ছিল সান্টিয়াগো বার্নাব্যু ছাড়ছেন সার্জিও রামোস। অবশেষে সব গুঞ্জনের ডালপালা সরিয়ে রিয়াল মাদ্রিদেই থাকছেন স্পেনের তারকা এই ডিফেন্ডার। সোমবার ২৯ বছর বয়সী রামোসের সঙ্গে পাঁচ বছরের নতুন চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে রিয়াল কর্তৃপক্ষ। অর্থাৎ ২০২০ সাল পর্যন্ত রিয়ালেই থাকছেন তুখোড় এই ডিফেন্ডার। শুধু তাই নয়, ইকার ক্যাসিয়াসের দল ছাড়ার পর এখন থেকে রিয়ালের নিয়মিত অধিনায়কও রামোস। স্পেনের সংবাদমাধ্যমে গত কিছুদিন ধরে বলা হচ্ছিল, রিয়ালে রামোস সুখে নেই। তার আগের চুক্তির মেয়াদ ২০১৭ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তা বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব দেয়া হচ্ছিল না বলে শোনা যায়। এ কারণে নাখোশ ছিলেন রামোস। পাশাপাশি কোচ কার্লো আনচেলত্তির বরখাস্ত হওয়া ও গোলরক্ষক ক্যাসিয়াসকে ছেড়ে দেয়াটাও মানতে পারছিলেন না তিনি। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদ প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্টিনো পেরেজের সঙ্গে বেতন নিয়ে মতো বিরোধের জেড় ধরে অনেকেই ধারণা করেছিলেন তিনি হয়ত বার্নাব্যু ছাড়ছেন। এই গুঞ্জনের মধ্যেই ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড রামোসের জন্য ২ কোটি ৮৬ লাখ পাউন্ডের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে রামোসের সঙ্গে নতুন চুক্তি করেছে রিয়াল। সান্টিয়াগো বার্নাব্যু স্টেডিয়ামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পেরেজ ও রামোস দু’জনই উপস্থিত থেকে চুক্তির ঘোষণা দেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, নতুন চুক্তি অনুযায়ী রামোস এক মৌসুমে ১০ মিলিয়ন ইউরো (১১.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ৭.১ মিলিয়ন পাউন্ড) পর্যন্ত আয় করবেন। পুরো গ্রীষ্মজুড়েই রামোসের ব্যাপারে ইউনাইটেড রিয়ালের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে গেছে। চলতি মাসের শেষে এই ট্রান্সফার উইন্ডো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। রিয়াল এখনও আশা করে রামোসের জাতীয় দলের সতীর্থ ডেভিড ডি গিয়াকে তারা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে উড়িয়ে আনতে পারবেন। নতুন চুক্তি অনুযায়ী রামোসই এখন রিয়ালের সবচেয়ে পুরনো খেলোয়াড়। ১৮ বছরের ক্যারিয়ার শেষে অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস গত মাসে পোর্তোতে চলে যাওয়ায় দলের নেতৃত্বের দায়িত্বও প্রথমবারের মতো রামোস পেয়েছেন।

সবচেয়ে বেশি লালকার্ড দেখার বাজে একটি রেকর্ডের মালিক হলেও রিয়াল সমর্থকদের কাছে রামোস এখনও নায়ক। ২০১৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে নগর প্রতিদ্বন্দ্বী এ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের বিপক্ষে তার করা গোলটি এখনও সমর্থকদের মনে উজ্জ্বল হয়ে আছে। যোগ করা সময়ে হেডে করা তার গোলটির কারণেই ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। পরবর্তীতে সতীর্থদের দুর্দান্ত পারফর্মেন্সে ৪-১ গোলের জয়ে নতুন ইতিহাস গড়ে রিয়াল।