২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চার স্কুলের শিক্ষার্থীর ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত

  • সাতক্ষীরা

মিজানুর রহমান, সাতক্ষীরা থেকে ॥ সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউনিয়নের পারিশামারি গ্রামের চেউটিয়া নদীর ওপরের কাঠের ব্রিজটি ভেঙ্গে গেছে দীর্ঘদিন। আপদকালীন ব্যবস্থা হিসেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলেও তা এখন ঝুঁকিপূর্ণ। প্রায় তিন শ’ ফুট দীর্ঘ এই সাঁকো পার হয়ে প্রতিদিন এলাকার চার বিদ্যালয়ের সাত শতাধিক শিক্ষার্থীকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হয়। একই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে বয়োবৃদ্ধ নারী-পুরুষ থেকে শুরু করে স্থানীয় লোকজন। পারাপারের বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। আশাশুনির পারিশামারি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কিঙ্কর মণ্ডল জানান, তার বিদ্যালয়ে ১২৬ শিক্ষার্থী, পাশের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চার শ’, নয়াবাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯৬ ও ফটিকখালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১২০ ছাত্রছাত্রীর যাতায়াতের মাধ্যম এখন ওই বাঁশের সাঁকো। ফটিকখালী, নয়াবাদ, খালিয়া, কাপষণ্ডা, চেউটিয়া, বাইনতলা গ্রামের ওই সব ছাত্রছাত্রী চেউটিয়া কাঠের ব্রিজের ওপর দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করত। এছাড়া গ্রামগুলোর সাধারণ মানুষও ব্রিজটি দিয়ে যাতায়াত করে। ২০০৬ সালের দিকে স্কুলের সামনে চেউটিয়া নদীর ওপর ৭০ হাজার টাকা ব্যয়ে চার ভাগের একভাগ কাঠের ব্রিজ ও বাকি অংশে মাটি দিয়ে সংযোগ বাঁধ তৈরি করে পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়।

মাটির বাঁধের ওপর কয়েক বছর আগে ইট সোলিং করা হয়। এর পরপরই ভেঙ্গে যায় কাঠের ব্রিজটি। গত ২১ জুন বিদ্যালয়ে ক্লাস শুরুর পরপরই টানা বর্ষণে বাঁধের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলে প্রবল স্রোতে বাঁধের ওপর ইটের সোলিং নদীগর্ভে চলে যায়। ফলে ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাতায়াত দুষ্কর হয়ে পড়ে। বিপর্যয়ের মুখে পড়ে গ্রামবাসী। নিরুপায় হয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ রায় ও গ্রামবাসী বাঁশ দিয়ে সেখানে সাঁকো তৈরি করেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান তাদের দুই হাজার টাকা দিয়ে সহায়তা করেন।

মাগুরায় চুরির অপবাদে নির্যাতন

নিজস্ব সংবাদদাতা, মাগুরা, ১৬ আগস্ট ॥ মাগুরা শহরে চুরির অপবাদে রবিবার রাতে তোতা বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে মাথার চুল কেটে, গলায় জুতার মালা ঝুলিয়ে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে নির্যাতন চালিয়েছে চার বখাটে। পুলিশ আহত অবস্থায় তোতা মিয়াকে উদ্ধার করে মাগুরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়েছে। নির্যাতনের শিকার তোতা মিয়া মাগুরা শহরের পূর্ব খালকুলপাড়ার বাসিন্দা। নির্যাতনকারী চার বখাটে আরমান, শাহিন, আল-আমিন ও তুহিনকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বাড়ি মাগুরা শহরের পারলা পশ্চিমপাড়া এলাকায়। জানা গেছে, মাগুরা পুরাতন বাজারে মাংসের দোকানের কর্মচারী তোতা মিয়া রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহর থেকে পূর্ব খালকুলপাড়ার বাড়িতে ফিরছিল। পথিমধ্যে শহরের ঢাকা রোড় এলাকায় পূর্ববিরোধের জের ধরে ওই চার বখাটে মোবাইল চুরির মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করে মাথার চুল কেটে, ঝাড়ু জুতা-সেন্ডেল গলায় ঝুলিয়ে পিঠমোড়া দিয়ে বেঁধে ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতন চালায়।