১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গাজীপুরে স্কুলছাত্রীকে রাতভর গণধর্ষণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, গাজীপুর, ১৭ আগস্ট ॥ কালীগঞ্জে প্রেমিকের সহযোগিতায় নবম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গুরুতর অবস্থায় সোমবার স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করেছে। বিকেলে পুলিশ ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে গেছে। ভিকটিম ও স্থানীয়রা জানায়, গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের দক্ষিণবাগ গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে মতিউর রহমান ওরফে মতির (২৫) সঙ্গে কিছুদিন ধরে একই উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের বেগম সাহিদা মোল্লা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর এক ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। ওই স্কুল ছাত্রীর বাড়ি স্থানীয় জামালপুর বাগমারপাড়া গ্রামে। রবিবার সন্ধ্যায় বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে মতি তার প্রেমিকাকে বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের দক্ষিণবাগ গ্রামের একটি কালভার্টের পাশে নির্জন টেকে নিয়ে যায়। সেখানে মতি তার তিন বন্ধুসহ প্রেমিকাকে নিয়ে কিছুক্ষণ আড্ডা দেয়। এরপর অন্ধকার ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তিন বন্ধুসহ প্রেমিক মতি ওই স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। রাতভর ধর্ষণ শেষে সোমবার ভোরে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গোঙ্গানির শব্দ পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে ওই স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয় জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ধর্ষণের ঘটনার বর্ণনা দেয় এবং তার প্রেমিক মতিউর রহমান মতিসহ একই গ্রামের আমজাদ হোসেনের ছেলে মাসুদ (২২), শামসুদ্দিনের ছেলে নজরুল (৩০) ও মিনু মিয়ার ছেলে আরিফকে (২৫) অভিযুক্ত করে।

লৌহজংয়ে বনায়নের গাছ কেটে সাবাড়

স্টাফ রিপোর্টার, মুন্সীগঞ্জ ॥ লৌহজংয়ে বনায়ন প্রকল্পের গাছ কেটে সাবাড় করছে পল্লী বিদ্যুত। এতে ওই প্রকল্পের সুবিধাভোগীসহ সরকারের বন বিভাগ ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। এ নিয়ে সোমবার থানায় অভিযোগ করেছে স্থানীয় বন বিভাগ। উপজেলা বন কর্মকতা মোঃ রুহুল আমিন জানান, কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান আনোয়ার হোসেন (মাওয়া জোনাল) কুমারভোগ কাজির পাগলা রাস্তার দু’পাশের ছোট বড় এক শ’ ১২টি বিভিন্ন প্রকার বনজ ও ওষুধি গাছ কেটে সাবাড় করেছে। এসব গাছের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মেহগনি, অর্জুন, কড়াই, আকাশমনিসহ নানা ধরনের গাছ। ১৯৯৩-১৯৯৪ সালে লৌহজং বন বিভাগ ওই রাস্তার দু’পাশে বনায়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এসব গাছ রোপণ করে। এসব গাছের সুবিধাভোগী বা স্টেকহোল্ডার হচ্ছে আশপাশের জমির মালিক। তারাও এসব গাছের একটা অংশের মালিক। বাকিটা সরকারের বন বিভাগ। কিন্তু পল্লী বিদ্যুত আইনের কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে বা কোন প্রকার অনুমতি না নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে এ গাছ সাবাড় করেছে। এ নিয়ে গতকাল বিকেলে লৌহজং থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের এজিএম সাইফুল ইসলাম জানান, পদ্মা সেতুর দোগাছি সার্ভিস সেন্টারের সাব-স্টেশন থেকে পদ্মা সেতুর কুমারভোগ কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ড পর্যন্ত লাইনের কাজ করতে গিয়ে মাসাধিকাল পূর্বে আমার রাস্তার পাশের কিছু গাছের ডালপালা কেটেছি। এ নিয়ে স্থানীয় বনবিভাগ, কুমারভোগ ইউপি চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে কাজ করিয়েছি। কিন্তু আমরা কোন গাছ কাটিনি। লাইনম্যান আনোয়ার হোসেন গাছ কেটেছে বলেও কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।