১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

একাত্তর টিভির সিডি ‘পর্যালোচনা করে’ সিদ্ধান্ত দেবে আদালত

স্টাফ রিপোর্টার ॥ একাত্তর টেলিভিশনের জমা দেওয়া অডিও ও ভিডিও সিডি এবং অন্যান্য তথ্য পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত জানাবে আপিল বিভাগ।

প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহা নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির বেঞ্চ মঙ্গলবার এ কথা জানায়।

বিচারাধীন বিষয় নিয়ে একাত্তর টেলিভিশনে সম্প্রচারিত খবরের ভিডিও এবং সেখানে শোনানো দুই বিচারকের কথিত কথোপকথনের এই অডিও টেপ গত রবিবার আদালতে জমা দেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

তবে কখন এ বিষয়ে আদেশ বা সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে সে বিষয়ে আপিল বিভাগ কিছু জানায়নি।

যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর চূড়ান্ত রায়ের আগে বিচারকদের কথিত ভূমিকা নিয়ে গত ১৬ জুলাই দৈনিক জনকণ্ঠে স্বদেশ রায়ের লেখা একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়।

‘সাকার পরিবারের তৎপরতা: পালাবার পথ কমে গেছে’ শিরোনামে ওই লেখায় আদালত অবমাননা হওয়ায় গত ১৩ অগাস্ট জনকণ্ঠ সম্পাদক মোহাম্মদ আতিক উল্লাহ খান মাসুদ এবং নিবন্ধের লেখক স্বদেশ রায়কে প্রতিকী সাজা দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

রায়ের আগে আপিল বিভাগের বৃহত্তর বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির সময় জনকণ্ঠের আইনজীবী একটি অডিও রেকর্ডের শ্রুতিলিখন উপস্থাপন শুরু করেন, যা বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর যুদ্ধাপরাধ মামলা এবং মওদুদ আহমদের বাড়ি নিয়ে মামলার বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে অন্য এক বিচারকের কথোপকথন বলে আইনজীবীর দাবি।

একাত্তর টেলিভিশন ১০ অগাস্ট অবমাননা মামলা নিয়ে তাদের প্রতিবেদনে ওই অডিও টেপ সম্প্রচার করে। রাতে তাদের সংবাদ বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠান ‘একাত্তর জার্নাল’- এ ওই টেপের বিষয়ে আলোচনাও হয়।

ওই অনুষ্ঠান নজরে আসায় পরদিন আদালত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদুল ইসলামের মতামত শোনে। এরপর একাত্তর টেলিভিশনকে ১৬ অগাস্টের মধ্যে ভিডিও ও অডিও টেপ জমা দিতে বলা হয়।

গত রোববার ওই ভিডিও-অডিও সিডি সম্বলিত খাম আদালতে জমা দেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, “সেদিন (১০ অগাস্ট) বিকেলে তারা (একাত্তর) লিড নিউজ করেছে এই খবরটা। যেই সিডিটা আদালতে বাজাতে দেওয়া হয়নি, সেটাকেই তারা সম্প্রচার করেছে এবং টকশোতেও এসব সম্বন্ধে আলাপ-আলোচনা করেছেন।

“স্বাভাবিকভাবেই বিচারাধীন কোনো বিষয়ে কোনো রকম সম্প্রচার করা বা আলাপ-আলোচনা করা বা অভিমত ব্যক্ত করা এটা সঠিক না। এটা আদালতকে প্রভাবিত করার সামিল বলে আদালত সব সময় গণ্য করেন। সেজন্যই তাদের সম্প্রচারের সিডিটা চেয়ে পাঠিয়েছিলেন এবং এটা আদালত দেখবেন, দেখে পরবর্তী সময়ে আদেশ দেবেন।”