১৬ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ব্যাংককে বোমায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২

অনলাইন ডেস্ক ॥ থাইল্যান্ডে রাজধানী ব্যাংককের কেন্দ্রস্থলে হিন্দুদের একটি মন্দিরের কাছে মোটরসাইকেলে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে।

সোমবার সন্ধ্যার ওই হামলায় নিহতদের মধ্যে আট বিদেশি পর্যটকও রয়েছেন।

চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া নিহতদের মধ্যে তিনজন চীনা নাগরিক থাকার কথা জানিয়েছে।

নিহত অন্যদের মধ্যে দুজন হংকংয়ের বাসিন্দা, মালয়েশিয়ার দুজন এবং একজন ফিলিপাইনের নাগরিক বলে জানিয়েছেন থাই কর্মকর্তারা।

বিবিসি বলছে, চীনা ও তাইওয়ানের নাগরিকসহ ১২৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় পুলিশের মুখপাত্র প্রাউত থাভনসিরি।

পর্যটন ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করতেই মন্দিরে আসা বিদেশিদের লক্ষ করে বোমা হামলা চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন থাইল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রাওয়িত ওংসুওয়ান।

রাজধানীতে চালানো এই প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গে জড়িত সবাইকে গ্রেপ্তার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ এরাওয়ান মন্দিরে চালানো এই হামলার দায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী স্বীকার করেনি। থাই কর্মকর্তারাও কোনো গোষ্ঠীকে দায়ী করেননি।

দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান ও উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল উদোমদেজ সিতাবুতর বলেছেন, দক্ষিণ থাইল্যান্ডের বিচ্ছিন্নতাবাদী বিদ্রোহীদের কৌশলের সঙ্গে ব্যাংককের বোমা হামলার ধরন ঠিক মেলে না।

মঙ্গলবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “এই হামলাটি দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘটনাগুলোর সঙ্গে খাপ খায় না। এখানে যে ধরনের বোমা ব্যবহার করা হয়েছে সেটিও দক্ষিণের ধরনের না।”

একটি পাইপ বোমা ব্যবহার করে হামলাটি চালানো হয়েছে বলে জানিযেছেন দেশটির পুলিশ প্রধান সমিয়ত পমপানমুয়াং। থাইল্যান্ডে এ ধরনের হামলা নজিরবিহীন বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলের মুসলিম বিদ্রোহীদের দমনে লড়াই করছে বৌদ্ধপ্রধান থাইল্যান্ডের নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। কিন্তু নিজেদের এলাকার বাইরে মুসলিম বিদ্রোহীদের হামলা চালানোর ঘটনা বিরল।

২০০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া ওই বিদ্রোহে এ পর্যন্ত ছয় হাজার পাঁচশ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।