১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

চাঁপাইয়ে সেতু নির্মাণে জটিলতা

স্টাফ রিপোর্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ॥ পাঁচ কোটি টাকার বরাদ্দ পাওয়ার পরও প্রকল্প গ্রহণ ও স্থান নির্বাচনে বড় ধরনের ত্রুটি থাকার কারণে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক ও জনপদ বিভাগ ওয়ার্ক অর্ডার বা কার্যাদেশ দিতে পারছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পড়ে রয়েছে সেতুটি নির্মাণের পূর্ব প্রস্তুতির কাজ। পূর্বের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রভাবশালীদের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে প্রকল্প গ্রহণ করায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী এই ধরনের প্রতারনাকে আমলে না নিয়ে সেতু নির্মাণের কথা বলেছেন এই প্রতিবেদককে। কিন্তু পূর্বের সৃষ্ট সমস্যা কোনভাবেই মোকাবেলা করতে পারছে না। ফলে কার্যাদেশ দেয়া বন্ধ। এর প্রতিবাদে স্থানীয়রা ফুঁসে উঠেছে। তারা অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেছে প্রভাবশালীরা চেষ্টা করছে ত্রুটিপূর্ণ স্থানে সেতু নির্মাণের। ফলে বরেন্দ্র অঞ্চলের রহনপুর পৌরসভার জনসাধারণের শতাব্দী ধরে সৃষ্ট সমস্যার সমাধান না হয়ে আবার ঝুলে গেল। পুরান বাজার সংলগ্ন লক্ষণ সেনের ঐতিহাসিক রাজধানী, পার্বতাপুর আড্ডা এবং বাঙ্গাবাড়ীসহ একাধিক ইউনিয়নের সঙ্গে সংযোগ করতে ব্রিটিশ সরকার এখনকার স্থানীয় চাহিদা মাফিক রহনপুর খাড়ির ওপর ছোট সেতু নির্মাণ করেছিল। সেতুটি ছোট ও অপ্রসস্ত হওয়ার কারণে সে সময়ে শুধু গরুরগাড়ীসহ ছোট যানবাহান চলাচল করত। পরবর্তীতে উপজেলা রূপান্তরিত হওয়ার পর সোনামসজিদ, কানসাট ও ভোলাহাট এলাকা থেকে বরেন্দ্র অঞ্চল তথা পার্বতীপুর আড্ডা, পোরশা, পত্মীতলা, নওগাঁ জেলা শহরসহ বগুড়া বা ঢাকা যেতে হলে এই কালভাট বা সেতুটি পার হতে হয়। বিশেষ করে আম মৌসুমে ট্রাককে পার হতে জামে পড়ে ৪০ থেকে ৬০ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বর্তমানে পুরো বরেন্দ্র অঞ্চলের একাধিক পাকা সড়ক হওয়ার কারণে নানান ধরনের প্রচুর যানবাহনকে সেতুটি পার হতে হয়। অপ্রশস্থ হওয়ার কারণে অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয় যানবাহনকে।

বিষয়টির প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীতি চাকমার দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জানান, নতুন সেতুটিকে টেন্ডারে রিকনস্ট্রাকশান বলা সঠিক হয়নি বলে জানান। তাছাড়া তার পূর্বসূরি টেন্ডার করে গেলেও নানা কারণে তিন বছরেও কাজের নির্দেশ দেয়া সম্ভব হয়নি। এছাড়া যে সড়কটিকে পরিত্যক্ত বলা হচ্ছে তা এলজিডির। তারা এলজিডি সড়কের উজানে নতুন কালভাট বা সেতু নির্মাণ করতে পারবে না। তিনি জানান, মানুষের যাতে কোন ক্ষতি না হয়ে সুবিধা হয় সে দিকে নজর দেয়া হবে।