২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বৃহত্তম উদ্বাস্তু সঙ্কট

সিরিয়ার এই গৃহযুদ্ধ থেকে বিগত কয়েক দশকের মধ্যে সর্ববৃহত উদ্বাস্তু সঙ্কটের জন্ম হয়েছে। ২০১১ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ৪০ লাখেরও বেশি লোক সিরিয়া থেকে পালিয়ে গেছে। আরও ৮০ লাখ লোক নিজ দেশেই হয়ে পড়েছে উদ্বাস্তু, যারা দেশের বাইরে যেতে অসমর্থ বা অনিচ্ছুক। দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া সিরীয়দের অধকাংশই প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিয়েছে। শুধু তুরস্ক্ইে আছে ২০ লাখ সিরীয় উদ্বাস্তু। এত বেশি উদ্বাস্তু এককভাবে এখন বিশ্বের আর কোন দেশে নেই। লেবানন আশ্রয় দিয়েছে ১০ লাখেরও বেশি সিরীয়কে, যারা এখন ওই দেশের গোটা জনগোষ্ঠীর এক চতুর্থাংশ। জর্দানেও এদের সংখ্যাটা একই রকম হতে চলেছে। আর ইরাকে আছে প্রায় ৩ লাখ। সিরীয় উদ্বাস্তুদের সাহায্য দেয়ার জন্য আছে বিভিন্ন ত্রাণ ও মানবিক সংস্থা। জাতিসংঘ উদ্বাস্তু হাইকমিশনারের দফতর এদের কাজকর্মের সমন্বয় করে। তারপরও বেশিরভাগ সাহায্যের কাজটা সরাসরি প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর এসে পড়ে এবং তারা তাদের নিজস্ব আর্থিক ও লজিস্টিকের মাধ্যমে সেটা ঘুচিয়ে থাকে।

জার্মানি, সুইডেন ও আরও কিছু ইউরোপীয় দেশ ইদানীং সিরীয় উদ্বাস্তুদের নিতে শুরু করেছে, তবে সেটা সামান্যই। সবচেযে বেশি উদ্বাস্তু নিয়েছে জার্মানি। এ পর্যন্ত দেশটি সিরীয় উদ্বুাস্তু নিয়েছে প্রায় ১ লাখ। কানাডাও কিছু নিচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের পরিচয় দিচ্ছে। কানাডা বলেছে যে, সিরীয় ধর্মীয় উদ্বাস্তুদের অর্থাৎ খ্রীস্টান ও ইয়াজিদীদের নেয়ার ব্যাপারেই অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এইভাবে মুসলমানদের প্রতি চরম অবহেলা দেখাচ্ছে দেশটি।

শাকিল আহমদ