১১ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ওয়ারিতে গুলিবিদ্ধ যুবলীগ নেতার মৃত্যু

অনলাইন রিপোর্টার ॥ রাজধানীর ওয়ারিতে দুর্বৃত্তের গুলিতে আহত যুবলীগ নেতা আবদুল মান্নান হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় ঢাকার অ্যাপোলো হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে ওয়ারি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) রমেশ চন্দ্র পাল জানান।

মান্নান যুবলীগের ঢাকা মহানগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। মিটফোর্ডে তিনি ওষুধের ব্যবসা করতেন।

ওয়ারির হাটখোলা রোডের রূপায়ন টাওয়ারের তৃতীয় তলায় দুই মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে থাকতেন মান্নান।

মঙ্গলবার রাতে বাসার সামনেই দুর্বৃত্তরা গুলি করে তাকে। তার মাথা ও পেটে গুলি লাগে।

সাড়ে ১১টার দিকে মান্নানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন তার স্ত্রী নুসরাত জাহান সাথী। পরে রাতেই তাকে স্কয়ার হাসপাতাল এবং সবশেষ অ্যাপোলো হাসপাতালে নেওয়া হয়।

মান্নানের স্ত্রী সাথী জানান, রাতে মিটফোর্ডে ওষুধের দোকান থেকে আলামিন নামে এক বন্ধুর সঙ্গে রিকশায় করে এসে বাসার সামনে নামেন তার স্বামী।

রিকশা থেকে নামার পরপরই একটি মোটরসাইকেলে করে আসা তিন যুবক মান্নানকে গুলি করে পালিয়ে যায় বলে পুলিশকে জানিয়েছেন সাথী।

তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে আলামিনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

কারা কেন মান্নানের ওপর হামলা চালিয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। পরিদর্শক রমেশ বলছেন, তারা হত্যাকারীদের ধরার চেষ্টা করছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার বাড্ডায় মহানগর (উত্তর) স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান গামা, তার সঙ্গে থাকা ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসু মোল্লা এবং উত্তর বাড্ডার একটি বেসরকারি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ফিরোজ আহমেদ মানিককে গুলি করে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুইজনকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ বলছে, গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরেই বাড্ডার এই হত্যাকাণ্ড।