২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

পদ্মায় মিললো নিখোঁজ প্রতিবন্ধীর লাশ

স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহী নগরীর তালাইমারী শহীদ মিনার সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে সামেজুল ইসলাম (৫৫) নামের এক প্রতিবন্ধীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার সকালে লাশটি উদ্ধার করে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ। ১৫ দিন আগে সামেজুল ইসলাম বাড়ি থেকে হারিয়ে যায় বলে তার পারিবার নিশ্চিত করেছে।

সামেজুলেল ছোট বড় তামেজা জানান, তার ভাই প্যারালাইজড রোগি। বাড়ি ও পাশের চায়ের দোকান ছাড়া তিনি কোথাও যেতো না। ১৫ দিন আগে দোকানে গিয়ে সে আর ফিরে নি। এরপর থেকে অনেক খোঁজ করা হয়। কিন্তু কোথাও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বুধবার সকালে তালাইমারী শহীদ মিনারের কাছে পদ্মা নদীতে স্থানীয় লোকজন লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে সংবাদ দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ মর্গে নিয়ে যায়।

এদিকে সামেজুল ইসলাম নিখোজ হওয়ার পরে পরিবারের পক্ষ থেকে বোয়ালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিলো। সেই সুত্র ধরে পুলিশ লাশটি সনাক্ত করে পরিবারকে সংবাদ দেন।

নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহাদাৎ হোসেন জানান, লাশের ময়না তদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

বাল্যবিবাহের দায়ে বর ও কনের বাবার কারাদন্ড

নিজস্ব সংবাদদাতা, লালমনিরহাট ॥ লালমনিরহাটে বাল্যবিয়ের আয়োজন করায় কনের বাব ও বরের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার রাত ৮ টায় জেলা সদরের মহেন্দ্র নগর ইউনিয়নের মকরা ঢঢগছ গ্রামে ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী খোদেজা বেগম(১৩) সাথে লালমনিরহাট আদর্শ কলেজের বিএসএস একাদর্শ শ্রেনির ছাত্র আল মোবাইদ শিমুল(২০) এর বিবাহের আয়োজন করে। বিষয়টি জনৈকা ৬ষ্ঠ শ্রেনির ছাত্রী নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট, পুলিশ কর্মকর্তা সহ নানা স্থানে মেসেজ দিয়ে বাল্যবিবাহের বিষয়টি অবগত করে।

পরে রাতে বিবাহ আয়োজনের প্রস্তুুতিকালে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ শফিকুল ইসলাম পুলিশের এসআই জহুরুল ইসলামকে সাথে নিয়ে বাল্যবিবাহ আয়োজনের অপরাধে কনের বাবা আব্দুস সামাদ(৬৫)কে ৭দিন ও বর শিশুলকে ১৫দিন বিনা শ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। প্রসিকিউশন এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, রাতেই কারাদন্ড প্রাপ্ত বর ও কনের বাবাকে জেলখানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, লালমনিরহাট জেলায় আশস্কজনক ভাবে বাল্যবিবাহের ঘটনা বেড়েছে। একটি বেসরকারি এনজিও ও মানবাধিকার সংগঠনের পরিসংখ্যান মতে লালমনিরহাট জেলা নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে।