২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বন্দুকযুদ্ধে কুষ্টিয়ায় যুবলীগ নেতা নিহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া, ১৯ আগস্ট ॥ কুষ্টিয়ায় জাতীয় শোক দিবসে বিবদমান দু’পক্ষের সংঘর্ষে যুবলীগকর্মী সবুজ হোসেন (২২) হত্যা মামলার সন্দেহভাজন ও জাসদ নেতা পাঞ্জের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন (৩০) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া শহরতলীর জগতি রেল বাজারের কাছে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশী বন্দুক, ২টি হাঁসুয়া ও ৩ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে। জাকির মিরপুর উপজেলার কলাবাড়িয়া-আহম্মদপুর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিল বলে জানায় যুবলীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

পুলিশ জানায়, একদল সন্ত্রাসী নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে জগতি রেল বাজারের কাছে গোপন বৈঠক করছে গোপনসূত্রে এমন খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দেয়। এ সময় সন্ত্রাসীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। সন্ত্রাসীদের গুলির জবাবে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। উভয়পক্ষের মধ্যে গুলিবিনিময়ের একপর্যায়ে জাকির হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। নিহত জাকির গত শনিবার জাতীয় শোক দিবসে কুষ্টিয়ায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত যুবলীগকর্মী সবুজ হত্যা মামলার সন্দেহভাজন এবং জাসদ নেতা পাঞ্জের হত্যা মামলার অন্যতম আসামি। নিহত জাকির মিরপুর উপজেলার কলাবাড়িয়া-আহম্মদপুর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বলে যুবলীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জানান। অপরদিকে নিহতের পারিবারিক সূত্র দাবি করে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডিবি পরিচয়ে জাকিরকে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কুষ্টিয়ার ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা সাব্বির উল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, নিহত জাকির হত্যা মামলার আসামি ও অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল। সে মিরপুর উপজেলার আহম্মদপুর গ্রামের আব্দুুর রাজ্জাকের ছেলে। এ ঘটনায় কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলা হয়েছে। তিনি জানান, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশ সদস্য উজ্জল হোসেন, কনক রেজা, সরোয়ার হোসেন, আনিসুর রহমান ও সুজন আহত হয়েছে। আহত পুলিশ সদস্যরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।