২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শহীদ হামজা ব্রিগেডের পরিকল্পনায় ॥ নাশকতার নীলনক্সা

  • মূলত শিবির ও হেফাজত ক্যাডারদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় বিস্তৃত নেটওয়ার্ক;###;লক্ষ্য আফগান স্টাইলে শাসন কায়েম;###;অর্থায়নের ভিত ছিল মজবুত;###;তথ্য দিচ্ছে গ্রেফতারকৃত ২৯ জন

মোয়াজ্জেমুল হক/মাকসুদ আহমদ, চট্টগ্রাম অফিস ॥ দেশে বড় ধরনের নাশকতার নীলনক্সা নিয়ে এগোচ্ছিল জঙ্গী সংগঠন ‘শহীদ হামজা ব্রিগেড।’ এ জঙ্গী সংগঠনটি চট্টগ্রামভিত্তিক হলেও ইতোমধ্যেই দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে এর নেটওয়ার্ক এবং সদস্য সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছিল। মূলত জামায়াতের ক্যাডার উইং খ্যাত ছাত্র শিবির ও হেফাজতে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যাওয়া ক্যাডারদের একটি অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছে এ জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেড। এ ব্রিগেডের জন্ম থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে এর নেটওয়ার্কের কার্যক্রম র‌্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে উদ্ঘাটিত হওয়ার পর এ পর্যন্ত ধরা পড়েছে ২৯ জন। সর্বশেষ অর্থ যোগানদাতাদের মাধ্যম হিসেবে ধরা পড়েছে সুপ্রীমকোর্টের তিন আইনজীবী। গত মঙ্গলবার রাতে ঢাকার ধানম-ি এলাকা থেকে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, এ্যাডভোকেট হাসানুজ্জামান লিটন ও এ্যাডভোকেট মাহফুজ চৌধুরী বাপনকে গ্রেফতারের আগে র‌্যাবের অনুসন্ধানে এ জঙ্গী সংগঠনকে অর্থায়ন, অস্ত্রের যোগান, নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি এবং দেশে বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনাসহ যাবতীয় অপকর্মের তথ্যাদি উদ্ঘাটিত হয়েছে।

ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা বিএনপি সমর্থিত আইনজীবী ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ছাড়াও তিনি বিএনপির সাবেক হুইপ ও এমপি এবং দলের বর্তমান কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক সৈয়দ ওয়াহিদুল আলমের বড় মেয়ে। অপর দুজন আইনজীবী তারই সহকারী। শহীদ হামজা ব্রিগেডের নেতাদের নামে এ তিন আইনজীবীর মাধ্যমে ব্যাংক এ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হয়ে আসছিল। আর এ অর্থের যোগানদাতা হিসেবে শীর্ষ তালিকায় রয়েছেন দুবাইয়ের নাগরিক আল্লামা লিবদি নামের ধনাঢ্য এক ব্যক্তি। এছাড়া অর্থ যোগানে দেশী আরও অনেকে রয়েছেন। যাদের বেশ কয়েকজনের নাম র‌্যাবের হাতে এসেছে। এছাড়া এ সংগঠনের নীতি নির্ধারণীতে রয়েছেন একজন, যাকে সংগঠন নেতাকর্মীরা বড় ভাই নামে সম্বোধন করে। র‌্যাব সূত্রে জানানো হয়েছে, এ বড় ভাইয়ের পরিচয়ও তাদের হাতে এসেছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

এদিকে, গ্রেফতারকৃত তিন আইনজীবীকে বাঁশখালির লটমনি পাহাড়ে জঙ্গী প্রশিক্ষণ শিবিরের ঘটনা নিয়ে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার দেখানোর পর সেখানকার আদালত চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। বৃহস্পতিবার থেকে চট্টগ্রাম র‌্যাব সেভেনের পতেঙ্গার সদর দফতরে এদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে। র‌্যাব সূত্র জানায়, গ্রেফতারকৃত তিন আইনজীবীকে র‌্যাব কর্মকর্তারা পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার র‌্যাবের পক্ষ থেকে এ নিয়ে নতুন কোন বক্তব্য দেয়া হয়নি। তবে বলা হয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তের অগ্রগতি আসছে।

র‌্যাবের অনুসন্ধানে হামজা ব্রিগেডের নেতাদের এ্যাকাউন্টে এ পর্যন্ত ১ কোটি ৩৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা জমা হওয়ার যে তথ্য মিলেছে তন্মধ্যে ১ কোটি ৮ লাখ টাকা গ্রেফতারকৃত তিন আইনজীবীর মাধ্যমে জমাকৃত। হামজা ব্রিগেডের অন্যতম সংগঠক মনিরুজ্জামান ডনের ব্যাংক হিসাব অনুসন্ধান ও আদালতে তার দেয়া জবানবন্দীর ভিত্তিতে এ তিন আইনজীবীকে র‌্যাব গ্রেফতার করে। দুবাইয়ের নাগরিক ধনাঢ্য আল্লামা লিবদির মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের অর্থ এসেছে বলে র‌্যাবের ধারণা। যার ক্ষুদ্র একটি অংশ জমা হওয়ার ঘটনা আবিষ্কৃত হয়েছে। এছাড়া নগদে বা হুন্ডিসহ অন্য বিভিন্ন মাধ্যমে হামজা ব্রিগেডের জঙ্গী তৎপরতা এগিয়ে নিতে অর্থের যোগান এসেছে বলে র‌্যাব অনেকটা নিশ্চিত। এ ব্যাপারে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ নিয়ে র‌্যাবের তদন্ত এগিয়ে চলেছে।

র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রাম ভিত্তিক এ জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেড সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার অবসান ঘটাতে চায়। আফগান স্টাইলে তাদের চিন্তা ধারা ইসলামী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করা। এ লক্ষ্য নিয়ে তারা হাটহাজারীর আল মাদ্রাসাতুল আবু বকর নামের মাদ্রাসাটিতে তাত্ত্বিক শিক্ষার জন্য বেছে নেয়। আর হালিশহরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ৫ নম্বর সড়কের বিএস নামের ভবনের একটি ফ্ল্যাটে প্রতিষ্ঠা করে বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির কারখানা। এছাড়া বাঁশখালির সাধনপুরের লটমনি পাহাড়ের গহিন এলাকা নিয়ে পোল্ট্রি ও ডেইরি ফার্মের আদলে স্থাপন করা হয় জঙ্গী প্রশিক্ষণের কেন্দ্র। এ তিনটি আস্তানাই র‌্যাবের অভিযানে উদ্ঘাটিত হয়েছে এবং হালিশহর ও বাঁশখালির আস্তান থেকে উদ্ধার হয়েছে বিপুল পরিমাণ ভারি অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক দ্রব্যাদি।

র‌্যাব সেভেন গোড়া থেকে এ বিষয়টিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে তদন্ত শুরু করায় একের পর এক আস্তানা উদ্ঘাটিত হতে থাকে। বেরিয়ে আসে এ জঙ্গী সংগঠনের নানা পরিকল্পনা। এ পর্যন্ত এ সংগঠনটির ২৯ জন গ্রেফতার হয়েছে। এরমধ্যে ২৮ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছে আদালতে। এ হামজা ব্রিগেডের রয়েছে তিনটি সামরিক উইং। গ্রীন, ব্লু এবং হোয়াইট নামের এ তিন উইংয়ের তিন শীর্ষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেতা রয়েছেন। এদের মধ্যে দুই উইংয়ের দুই নেতা ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। বাকি রয়েছে মূল অর্থ যোগানদাতাদের আইনের আওতায় আনা। বিদেশী অর্থ যোগানদাতার মধ্যে দুবাইয়ের নাগরিক আল্লামা লিবদির নাম স্পষ্ট হয়েছে। কিন্তু দেশীয় অর্থ যোগানাদাতা কারা তাদের কারও কারও নাম এলেও পুরো তালিকা প্রাপ্তি এখনও র‌্যাবের তদন্তে রয়েছে। র‌্যাব জানায়, ধনাঢ্য আল্লামা লিবদি ইতোমধ্যে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ সফর করে গেছেন। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে গ্রেফতারকৃত ইসলামী ঐক্যজোট একাংশের চেয়ারম্যান ও হেফাজতের নায়েবে আমির মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীর পুত্র মুফতি হারুন ইজহারের। যিনি হেফাজতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক। চট্টগ্রাম লালখান বাজারের জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসায় ২০১৩ সালের ৭ অক্টোবর ভয়াবহ বোমা বিস্ফোরণের ঘটনার পর হারুন ইজাহার গ্রেফতার হয়েছেন। একই মামলায় সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন মুফতি ইজাহারুল ইসলাম চৌধুরী।

তদন্তের সঙ্গে জড়িত র‌্যাব কর্মকর্তাদের সূত্রে জানানো হয়, মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামের ছাত্র ক্যাডার উইংয়ের একটি অংশ, হেফাজতের কিছু নেতাকর্মীর সঙ্গে সম্মিলিতভাবে গড়ে ওঠা এ জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ করে বিভিন্ন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি অংশের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাচ্ছে। মূলত নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহরিরসহ বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের সঙ্গে এদের কার্যক্রম একই সূত্রে গাথা। তবে ভিন্ন ভিন্ন নামে ভিন্ন ভিন্ন পথে এদের জঙ্গী তৎপরতা দিনে দিনে বিস্তৃতি লাভ করেছে। এ ঘটনা দেশের জন্য একটি অশনি সঙ্কেত হিসেবে দেখছেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। গ্রেফতারকৃত তিন আইনজীবীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও অজানা তথ্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

র‌্যাব সূত্র জানিয়েছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলমানদের নির্যাতনের বিষয়টি ব্যানারে রেখে শহীদ হামজা ব্রিগেডের পক্ষে এনজিও গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু সে লক্ষ্য ব্যর্থ হয়েছে। এনজিও গড়ে তোলার নেপথ্যে রয়েছে মূলত দেশী-বিদেশী আগ্রহীদের কাছ থেকে অর্থ যোগাড় করা। আর এ অর্থ দিয়ে সংগঠনের ভিত মজবুত করে অস্ত্র গোলাবারুদ যোগাড় এবং তা দিয়ে দেশে বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টি করাই ছিল আসল লক্ষ্য। ধর্মপ্রিয় মুসলমান ও কিছু মুসলিম দেশের সাহায্য সহযোগিতা এ জঙ্গী সংগঠন যে ইতোমধ্যে পেয়েছে তার প্রমাণ মিলেছে। ২০১৩ সালের নবেম্বরে চট্টগ্রামের ফয়েস লেক এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে শহীদ হামজা ব্রিগেডের গোড়াপত্তন হয়। এ সময় বৈঠকে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা সকলেই ইসলামী ছাত্র শিবির ও হেফাজতে ইসলামীর সঙ্গে জড়িত ছিল। জামায়াত ও হেফাজতের রাজনৈতিক চিন্তাধারা ও এ্যাকশন কার্যক্রম তাদের পছন্দ না হওয়ায় এরা এ দুই সংগঠন থেকে বের হয়ে গড়ে তোলো এ সংগঠন। নাম দেয় শহীদ হামজা ব্রিগেড। এ জঙ্গী সংগঠনের প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী মোজাহের হোসেন মিয়া এবং বিস্ফোরক সরবরাহকারী ও বোমা বিশেষজ্ঞ আগেই র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। এদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে একে একে উদ্ঘাটিত হচ্ছে হামজা ব্রিগেডের অর্থপ্রাপ্তির রুটসহ জঙ্গী কার্যক্রমে প্রশিক্ষণ ও বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির কেন্দ্রগুলো।

র‌্যাব গোড়াতেই জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের তৎপরতা ধরা পড়ে যাওয়ায় আপাতত অনিশ্চিত পরিস্থিতি থেকে দেশ রক্ষা পেয়েছে।

এদিকে, রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) প্রধান জঙ্গী ছালামত উল্লাহ, পাকিস্তানী নাগরিক সৌদি প্রবাসী মোঃ আলম, আবদুল মজিদ, মোঃ আমিন, জঙ্গী ওস্তাদখ্যাত হাফেজ জুনাইদ, আবু ছালেহ কয়েকমাস আগে কক্সবাজারে গ্রেফতার হলেও বর্তমানে তারা স্থায়ী জামিনে রয়েছেন ও জঙ্গীপনায় জড়িতদের সঙ্গে হামজা ব্রিগেডের নেপথ্য কানেকশন রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য, আরএসও নেতা ছালামত উল্লাহ্ এ পর্যন্ত দু’বার গ্রেফতার হয়ে দুবারই জামিন পেয়েছেন। শেষবার পেয়েছেন স্থায়ী জামিন। মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের নির্যাতনের প্রতিবাদের বিষয়টি ব্যানারে রেখে এ ছালামত উল্লাহ ও তার সহযোগীরা দেশে বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনের অবৈধ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আইনের ফাঁকফোকরে এবং পুলিশী রিপোর্টের গাফিলতির কারণে এরা বরাবরই জেলমুক্ত হয়ে যায়।

ব্যারিস্টার শাকিলার স্বীকারোক্তি ॥ এদিকে বাংলানিউজ জানায়, জঙ্গী সংগঠন শহীদ হামজা ব্রিগেডের শীর্ষ নেতা মনিরুজ্জামান মাসুদ ওরফে ডনের ব্যাংক এ্যাকাউন্টে নগদ টাকা জমা দেয়ার কথা র‌্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন গ্রেফতার হওয়া সুপ্রীমকোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা। রিমান্ডে থাকা শাকিলা জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব কর্মকর্তাদের কাছে টাকা দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও জঙ্গী অর্থায়নের জন্য তা দেয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন।

রিমান্ড মঞ্জুরের পর বুধবার (১৯ আগস্ট) রাতেই শাকিলাসহ তিন আইনজীবীকে নিজেদের হেফাজতে নেয় র‌্যাব। জঙ্গী অর্থায়নের বিষয়ে একাধিক টিম তাকে কয়েকদফা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত আছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে র‌্যাবের চট্টগ্রাম জোনের পরিচালক লে.কর্নেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ বাংলানিউজকে বলেন, নগদে টাকা জমা দেয়ার বিষয়ে সব তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। শাকিলা ফারজানা বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তাকে কারা টাকা দিয়েছে, তাদের দেয়া টাকা কোন্ কোন্ খাতে খরচ হতো, এর সঙ্গে আর কারা আছে সেসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে প্রথমে টাকা দেয়ার বিষয়টি শাকিলাসহ তিন আইনজীবীই অস্বীকার করার চেষ্টা করেন। পরে র‌্যাব কর্মকর্তারা প্রমাণপত্র উপস্থাপন করলে তিনি স্বীকার করে নেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদে শাকিলা দাবি করেছেন, তিনি আইনজীবী হিসেবে হেফাজতে ইসলাম এবং শহীদ হামজা ব্রিগেডের মামলা পরিচালনা করেন। মামলা পরিচালনার জন্য টাকাপয়সা লেনদেন হয়েছিল।