২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

ঝলক

‘মেডিসিন বাবা’

এ দুনিয়ার ‘বাবা’র অভাব নেই। চোখ-কান খোলা রাখলে, এদিক-ওদিক অনেক ‘বাবা’কেই দেখা যায়। উনিও ‘বাবা’, লোকে বলে ‘মেডিসিন বাবা’। তবে অন্য ‘বাবা’দের সঙ্গে এ ‘বাবা’কে গুলিয়ে ফেললে ভুলই হবে। কোন ভাঁওতাবাজির ধার ধারেন না। ধর্ম নিয়ে জ্ঞানগর্ভ ভাষণ নেই। উনি শুধু গরিব মানুষকে খুঁজে বের করেন, ওষুধ বিলি করেন। নাম ওঙ্কারনাথ শর্মা। বয়স আশি থেকে এক কম। এই ঊনাশিতেও রোজ দিল্লীর রাস্তায় ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার তিনি হাঁটেন। না, নিজের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে ডাক্তারি নির্দেশে নিয়ম মেনে হাঁটা নয়। বরং দুস্থ মানুষের অসুখের কথা ভেবে, এ বয়সেও ধকল নিয়ে রোজ হাঁটেন এই পথ। বেছে বেছে চলে যান বড়লোকদের বাড়ি। বলা যায়, ওষুধ ভিক্ষে করেন। চারদিক থেকে ওষুধ সংগ্রহ করে ফিরে আসেন। তারপর, সেই ওষুধ নিঃখরচায় দুস্থদের হাতে তুলে দেন। আর এভাবেই তিনি হয়ে উঠেছেন গরিবের ‘মেডিসিন বাবা’।

ইভটিজিংয়ের দায়ে গারদে টিয়া!

এক বৃদ্ধাকে উত্ত্যক্ত করায় টিয়া পাখিকে লকআপে ঢোকানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের রাজুরায়। ইভটিজিংয়ের খবর তো এখন প্রায়ই শোনা যায়। কিন্তু সর্বশেষ খবর হলো টিয়াটিজিং। ৮০ বছরের জানাবাইকে উত্ত্যক্ত করার দায়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে এক টিয়াকে। সম্পত্তি নিয়ে চলা বিবাদে জানাবাই আর ছেলে সুরেশের মুখ দেখাদেখি বন্ধ। সেখানেই আসল বিপত্তি। জানাবাইয়ের অভিযোগ, ছেলের বাড়ির পাশ দিয়ে গেলেই গালাগাল করত এই টিয়া। ছেলেই পোষা টিয়াকে শিখিয়ে পড়িয়ে এভাবে তাকে গালাগাল করাত। অভিযোগ যাচাই করতে মা-ছেলে এবং নাটের গুরু টিয়ার ডাক পড়ে থানায়। পুলিশের সামনে অবশ্য জানাবাইকে দেখে টুঁ শব্দও করেনি টিয়া। কিন্তু তাই বলে তো আর অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করা যায় না। আবার টিয়াকে লকআপে ভরারও বিধান নেই। কাজেই বনকর্তাদের তলব করে তাদের হাতেই আপাতত আসামি টিয়া পাখিটিকে তুলে দিয়েছে পুলিশ। সেই থেকেই খাঁচাবন্দী টিয়া বন বিভাগের গারদে।

পানও করা যাবে বই

এতদিন বই মানে যারা শুধু জ্ঞান অর্জনের জিনিস ভেবে এসেছেন, তাদের জন্য নতুন চমক নিয়ে এসেছেন বিজ্ঞানীরা। এবার বই শুধু পড়াই হবে না, একই সঙ্গে তার পৃষ্ঠা ছিঁড়ে গানিতে গুলে পান করাও যাবে। সম্প্রতি এমন বিশেষ একটি বইয়ের প্রথম পরীক্ষা সফলভাবে করা হয়েছে। এই পানযোগ্য বইয়ের পৃষ্ঠাগুলোতে লেখা রয়েছে কেন পানি বিশুদ্ধ করা প্রয়োজন এবং সেটা কিভাবে করা যায়। আর পৃষ্ঠাগুলোতে রয়েছে রুপা ও তামার ক্ষুদে কণার আস্তরণ, যা মূলত পানিতে থাকা ব্যাকটেরিয়া মেরে ফেলে। পরীক্ষণে বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ঘানার ২৫টি দূষিত উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করে এই পানযোগ্য বইয়ের পৃষ্ঠা ব্যবহার করার পর দেখা গেছে, পানি থেকে শতকরা ৯৯ ভাগেরও বেশি ব্যাকটেরিয়া দূরীভূত হয়েছে। এর ফলে যে পানি পাওয়া যাচ্ছে, তা যুক্তরাষ্ট্রের ট্যাপে সরবরাহ করা পানির মতোই বলে উল্লেখ করছেন গবেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটির আড়াই শ’তম জাতীয় বৈঠকে এই ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।

নির্বাচিত সংবাদ