২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

গুপ্তচর ডলফিন!

ফিলিস্তিনী ভূখ-ের ইসলামপন্থী গোষ্ঠী হামাস একটি ডলফিনকে আটক করে দাবি করেছে, ইসরাইলী সামরিক বাহিনী এ জলজ প্রাণীটির দেহে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ সরঞ্জাম সংযুক্ত করে রেখেছিল। ইসরাইলী গণমাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়। খবরে ফিলিস্তিনী দৈনিক আল-কুদসকে উদ্ধৃত করা হয়। পত্রিকাটিতে গাজা ভূখ-ের ব্যক্তিবিশেষের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, হামাস কমান্ডোরা একটি ‘সন্দেহজনক’ ডলফিন দেখে সেটিকে আটক করে। জেরুজালেম পোস্টের খবরে বলা হয়, তারা (হামাস) দেখতে পেয়েছেন ডলফিনটির শরীরে একটি ক্যামেরা সংযুক্ত করা। এছাড়াও একটি অস্ত্র লাগানো আছে- যেটি ছোট তীর নিক্ষেপ করতে পারে। খবর নিউইয়র্ক টাইমসের।

ইসরাইলী কর্তৃপক্ষ এই দাবির সত্যতা সমর্থন করেনি। দেশটির ডলফিনসদৃশ সাবমেরিনের বহর আছে। তবে এ খবরে পরিষ্কারভাবে বলা হয়েছে, গাজার সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিশেষভাবে একটি সামুদ্রিক প্রাণীর বিষয়ে উল্লেখ করেছে।

বিশেষ ধরনের গুপ্তচর ডলফিন নিয়ে ভীতি মজার হলেও ভিত্তিহীন নয়। দৃষ্টান্তস্বরূপ যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীতে গোয়েন্দাগিরির জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডলফিন ও বড় সিল মাছের একটি বাহিনী আছে।

গতবছর রাশিয়ায় ইউক্রেনের কাছ থেকে একতরফাভাবে ক্রিমিয়া দখল করে নেয়ার পর কিয়েভের কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার কাছ থেকে যোদ্ধা ডলফিনগুলোকে ফিরিয়ে দেয়ার দাবি জানায়। ডলফিনগুলোর প্রশিক্ষণ দেয়া এবং ওই কৃষ্ণসাগরীয় উপদ্বীপের উপকূলে সেগুলোর থাকার ব্যবস্থা করা হয়।

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে পুলিশের গুলিতে আরও একজন কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ নিহত হয়েছেন। দেশটির মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের সেন্ট লুইস কাউন্টির ফার্গুসন শহরে মাইকেল ব্রাউন নামে ১৮ বছর বয়সী একজন কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ নিহত হওয়ার বর্ষপূর্তির কয়েকদিন পর বুধবার এ ঘটনা ঘটল। খবর ওয়েবসাইটের

ফার্গুসনে ১৮ বছর বয়সী ওই তরুণ পুলিশের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করায় তাকে গুলি করা হয়। ওই তরুণের নাম মনসুর বল-বে। এই ঘটনার পর প্রায় ২শ’ প্রতিবাদকারী ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। তারা সেøাগান দেন ‘কৃষ্ণাঙ্গদের জীবনের মূল্য আছে’। তারা পুলিশের অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেন্ট লুইসের পুলিশ প্রধান স্যাম ডটসন বলেন, সন্দেহভাজন সশস্ত্র দুই তরুণ একটি বাড়ির পেছন দিয়ে দৌড়ে যাচ্ছিল। পুলিশ তাদের ধাওয়া করে। এমন সময় সন্দেহভাজন সশস্ত্র দুই তরুণের একজন পুলিশ কর্মকর্তাদের দিকে অস্ত্র তাক করে। আর এরপরই পুলিশ কর্মকর্তারা গুলি করেন। তাতে একজনের মৃত্যু হয়। দায়িত্বপালনকারী দুই পুলিশ কর্মকর্তার কেউ আহত হননি। তারা বর্তমানে ছুটিতে রয়েছেন।

২০১৪ সালের ৯ অগাস্ট ব্রাউন শ্বেতাঙ্গ পুলিশের গুলিতে নিহত হলে দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ে। টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা সেই দাঙ্গা থামাতে পুলিশকে অনেক বেগ পেতে হয়েছে।

নির্বাচিত সংবাদ