২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নারী প্রতিনিধিত্বের চিত্র

উন্নত দেশগুলোতে আইনসভার নিম্ন পরিষদ ও মন্ত্রিসভার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ পদ ও আসন মহিলাদের নিয়ে পূরণের অলিখিত বিধান থাকলেও, ওইসিডির (অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা) জুলাই মাসের রিপোর্টে দেখা গেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যসহ সংস্থার ৩৪টি দেশের মধ্যে ১৬টি দেশেই এই ন্যূনতম শর্তটি পূরণ হচ্ছে না। ১৯৯৫ সালের পর থেকে সারা বিশ্বে আইনসভার নারী সদস্যদের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে সত্য, তথাপি পার্লামেন্টের বিভিন্ন পদে মহিলা রয়েছে মাত্র সাড়ে ২২ শতাংশ।

বিশ্ব রাজনৈতিক অঙ্গনে নারী প্রতিনিধিত্বের চিত্রটা বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন রকম। ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ডে প্রথম মহিলাদের অবাধ ভোটাধিকার ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার দেয়া হয়। পরের বছর সে দেশের পার্লামেন্টে নির্বাচিত নারী সদস্যের সংখ্যা ছিল ১৯। আজ ফিনল্যান্ডের ৬২.৫ শতাংশ মন্ত্রী পদে মহিলারা অধিষ্ঠিত। নরডিক দেশগুলোর আইনসভার সামগ্রিকভাবে ৪৩.৩ শতাংশ সদস্য মহিলা। নারী প্রতিনিধিত্বের দিক দিয়ে এরা অন্যান্য অঞ্চলকে ছাড়িয়ে গেছে।

রুয়ান্ডার পার্লামেন্টের নিম্ন পরিষদে নারী সদস্যের সংখ্যা শতকরা ৬৩.৮ শতাংশ। পার্লামেন্টে নারী প্রতিনিধিত্বের দিক দিয়ে রুয়ান্ডার স্থান বিশ্বের সর্বশীর্ষে। ২০ বছর আগে দেশটিতে সরকারের বিভিন্ন পদে মহিলা ছিল মাত্র ৪.৩ শতাংশ। ২০৩ সালে পার্লামেন্টের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ করে কোটা ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর এই সংখ্যা বেড়ে যায়। সেখানকার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এক মহিলা। নাম এগনেস বিনাগওয়াহো।

পার্লামেন্টের একক কক্ষে ও নিম্ন পরিষদের সকলেই পুরুষ, এমন দেশের সংখ্যা পাঁচ। এই পাঁচটির মধ্যে ৪টি দেশ- মাইক্রোনেশিয়া, পালাউ, টোঙ্গা ও ভানুয়াতু হলো প্রশান্ত মহাসগারীয় অঞ্চলের যে অঞ্চলটি নারী প্রতিনিধিত্বের দিক দিয়ে অনেক আগে থেকেই বৈশ্বিক গড়ের পিছনে রয়ে গেছে। কাতারের পার্লামেন্টেও কোন নারী সদস্য নেই। জাপান, ব্রাজিল ও ইরানসহ আরও ৩৩টি দেশে পার্লামেন্ট সদস্যদের ১০ শতাংশেরও কম হলো মহিলা।

সূত্র : টাইমস

অপরাজিতা ডেস্ক

নির্বাচিত সংবাদ
এই মাত্রা পাওয়া