১৪ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

রিট খারিজের পর লতিফ সিদ্দিকীর আপীল

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বহিষ্কৃত মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্য পদ বাতিল বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) শুনানির এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন খারিজের পর ঐ আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার তার আইনজীবীরা চেম্বার বিচারপতির কাছে গেলে আগামী রবিবার আপীল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করেন। চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এ আদেশ দেন। লতিফ সিদ্দিকীর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া এ কথা জানিয়েছেন। এর আগে বিচারপতি মোঃ এমদাদুল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবারই রিট আবেদনটি খারিজ করে দেন।

ডেপুটি এ্যাটর্নি জেনারেল খোরশেদুল আলম ওই আদেশের পর সাংবাদিকদের বলেন, নির্বাচন কমিশন লতিফ সিদ্দিকীকে যে নোটিস দিয়েছে, তাতে আইনের কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। বিষয়টি মীমাংসা বা নিষ্পত্তির এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের হাতে। রিট আবেদনকারীর কোন বক্তব্য থাকলে তিনি তা কমিশনের শুনানির সময় উপস্থাপন করতে পারেন। এসব দিক বিবেচনা করে আদালত রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন।

এরপর হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সুপ্রীমকোর্টের চেম্বার আদালতে গিয়ে নির্বাচন কমিশনের নোটিস স্থগিতের আবেদন করেন লতিফের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। চেম্বার বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আবেদনটি ২৩ আগস্ট শুনানির জন্য আপীল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। একই দিনে নির্বাচন কমিশনে শুনানির তারিখ থাকার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, ‘আপীল বিভাগ বসে সকাল নয়টায়। আর নির্বাচন কমিশন যে নোটিস দিয়েছে তাতে এগারোটায় শুনানিতে থাকতে বলেছে। সুতরাং আপীল বিভাগের সিদ্ধান্তেই বোঝা যাবে, তাকে যেত হবে কি না।

গত বছর সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে এক অনুষ্ঠানে হজ নিয়ে মন্তব্য করে লতিফ সিদ্দিকী মন্ত্রিত্ব হারান। সেই সঙ্গে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কৃত হন। দেশে ফেরার পর ওই মন্তব্য নিয়ে বিভিন্ন মামলায় নয় মাস কারাগারে কাটাতে হয় টাঙ্গাইলের এই সাংসদকে। সম্প্রতি জামিনে মুক্তি পান তিনি।