২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

দুদুকের মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাউফল ॥ দূর্নীতি কমিশনের (দুদুক) মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন বাউফল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান। দুদুক তার বিরুদ্ধে একটি ক্লিনার কলোনি ধসে পরায় ঘটনায় মামলা করেছে। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সহকারি প্রকৌশলী থাকাকালিন সময় ২০০৬ সালে ঢাকার দয়াগঞ্জের ২ কোটি ২৮ হাজার টাকা ব্যায়ে একটি ক্লিনার কলোনি নির্মাণ কাজ চলা অবস্থায় ধসে পরে। ওই ভবনটির দেখভালের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। উপজেলা চেয়ারম্যান ওই সময় মোটা অংকের আর্থিক সুবিধা গ্রহন করে আতিক কনট্রাকশন নামের এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে সর্বনিন্ম দরদাতা হিসাবে কাজটি পাইয়ে দেন। ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পূর্ব কোন অভিজ্ঞতাও ছিলনা । কার্যাদেশ পেয়ে ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ২০০৬ সালের ২৩ এপ্রিল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেন। ৪তলা পর্যন্ত ওই ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পর, কোন রকম দরপত্র আহবান কিংবা নকশা প্রণয়ন না করে পুনরায় ওই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে আরো দুইতলা নির্মাণ করার কার্যাদেশ দেয়া হয় । এ জন্য ব্যয় ধরা হয় ৯১ লাখ ৪৮ হাজার ৫৯৩ টাকা । চারতলা ভবনের উপর দুইতলার নির্মাণ কাজ চলাকালিন সময়ে ২০০৭ সালে ও ২৫ মে রাতে ভবনটির অর্ধেক অংশ ধসে পরে। ২০১৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ভবন নির্মাণের এ দুর্ণীতির বিষয়টি দুদুককে অবহিত করেন। এরপর তদন্ত শুরু করে দুদুক। দীর্ঘ দিন তদন্ত শেষে ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ দুদুকের উপ-সহকারি পরিচালক একএম ফজলে হোসেন বাদি হয়ে গেন্ডারিয়া থানায় দন্ডবিধির ৪০৯/৪২০/১০৯ এর দুর্ণীতি প্রতিরোধ আইনে ৫(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি এত দিন ধরে থানায় ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়েছিল। সম্প্রতি বাউফলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে কোন্দল দেখা দিলে এক পক্ষ উপজেলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এই মামলাটির পুনরজ্জীবিত করেন। বর্তমানে মামলাটি চার্জশীট প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তাই এ মামলায় ফেঁসে যেতে পারেন, উপজেলার চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মজিবুর রহমান।