২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শেষ হয়নি মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের খনন কাজ

শেষ হয়নি মংলা-ঘষিয়াখালী নৌপথের খনন কাজ

স্টাফ রিপোর্টার, বাগেরহাট॥ নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাহাজাহান খান মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেল পরিদর্শনে এসে গত ১৭ মে বলেছিলেন, জুন মাসের মধ্যে নৌ প্রটোকল ভুক্ত আর্ন্তজাতিক এই নৌপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল করবে। কিন্তÍ দুইশত চল্লিশ কোটি টাকা ব্যয় করেও নির্ধারিত সময়ে চালু করা সম্ভব হয়নি নৌপথটি। ড্রেজিং করার কয়েক দিনের মধ্যেই আবার নতুন করে পলি জমে ভাট হয়ে যাচ্ছে। ফলে সুন্দরবনের ভিতর দিয়ে এখনও জাহাজ চলাচল করছে। বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ অবশ্য আশা করছেন, এখন আংশিক খুলে দেয়া হলেও সেপ্টেম্বরের মধ্যে খনন শেষ করে এ চ্যানেল পুরোপুরি খুলে দেয়া সম্ভব হবে।

চরম নাব্যতা সংকটের কারনে ২০১০ সাল থেকে এ নৌপথে জাহাজ চলাচলে চরম বিঘœ সৃষ্টি হয়। চ্যানেলের ২২ কিলোমিটার অংশ পলি পড়ে নাব্যতা হারায়। এ সমস্যার সমাধানকল্পে ২০১০ সালের মে মাসে বিআইডাব্লিউটিএ প্রায় ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে এখানে ড্রেজিং কাজ শুরু করে কার্যকারিতা না থাকায় পনের দিনের মধ্যে তা বন্ধ করে দেয়। তখন খননকৃত এলাকা তিন মাসের মধ্যে পলি পড়ে ভরাট হয়ে যায়। এরপর আবারও বিআইডাব্লিউটিএ ২০১১ সালের ২৮ মার্চ থেকে মংলা-ঘষিয়াখালী চ্যানেলে ১৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নদী খনন কাজ শুরু করে। সেবারও উপকারিতা না পাওয়ায় এক মাসের মধ্যে খনন কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়। তখন খুলনা, মংলাসহ দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগের বিকল্প পথ হিসাবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে নৌযান চলাচল শুরু করে। এতে সুন্দরবনের জীব-বৈচিত্র্য চরম হুমকির মুখে পড়ে। গত ডিসেম্বরে শ্যালা নদীতে অয়েল ট্যংকার র্দূঘটনায় সুন্দরবনের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটে।

বিআইডব্লিউটিএ’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ এইচ মোঃ ফরহাদুজ্জামান বলেন, খনন দ্রুত শেষ করে চ্যানেলটি চালু করার চেষ্টা করছি। আর নতুন করে পলি ভরাট হয়ে যাওয়া অংশে ড্রেজিংও চলতে থাকবে।