২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দিতে ফেরি সার্ভিসে বিপর্যয়॥ নৌ মন্ত্রীর পরিদর্শন

শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দিতে ফেরি সার্ভিসে বিপর্যয়॥ নৌ মন্ত্রীর পরিদর্শন

স্টাফ রির্পোটার, মুন্সীগঞ্জ ॥ শিমুলিয়া (মাওয়া)-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচল নয় ঘন্টা পর শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় সিমিত আকারে শুরু হয়েছে। এর আগে রাত দেড়টা থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে উভয় পাড়ে ৫ শতাধিক যান পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এই ফেরি সার্ভিসে বিপর্যয় চলছে গত প্রায় দু’ সপ্তাহ ধরে। এতে দক্ষিাণঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের দুর্গতি বেড়েছে। এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে পড়েছে নেতীবাচক প্রভাব। এদিকে শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান লৌহজং টানিং পয়েন্টের এলাকা পরিদর্শণ করেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন বিআইডব্লিউটিএর ও বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তা বৃন্দ।

নৌ পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান শুক্রবার দুপুরে তার নিজ এলাকা মাদারীপুর থেকে ঢাকায় ফেরার পথে শিমুলিয়া ঘাটসহ সংশ্লিষ্ট নৌপথ পরিদর্শণ করেছেন। মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে আলাপকালে বলেন, নাব্যতা সংকটের কারণে অল্প সংখ্যক যানবাহন নিয়ে হালকা ও মাঝারী ধরণের ফেরিগুলো আপাততঃ চলাচল করবে। তাও চলবে জোয়ারে। খুব তারাতারি এ নৌরুটের জন্য হালকা ধরণের ফেরির ব্যবস্থা করা হবে। যা কিনা ৫ ফুট গভীরতার পানিতে চলাচল করতে পারে। তিনি সকল যাত্রী ট্রাক ও বাস চালক এবং মালিকদের এই নৌ নৌরুট এড়িয়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুট ব্যবহারের পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, খুব তাড়াতাড়ি আমারা ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থার গতি বাড়িয়ে নদীতে গভীরতা ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করছি। এখনও ড্রেজিং চলছে দ্রুত গতিেিত। এ সময় মন্ত্রী দ্রুত মাটি কেটে নদীতে গভীরতা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনে আমি পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ কোম্পানির ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার ব্যবস্থা করবো। পরিদর্শনের সময় মন্ত্রীর সাথে ছিলেন বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর মোজাম্মেল হক, চিফ ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন, অতিরিক্ত পরিচালক মো. শাহজাহান, লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. খালেকুজ্জামান, বিআইডব্লিউটিসির এজিএম এসএম আশিকুজ্জামান প্রমুখ।