১০ ডিসেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সাত ‘জিহাদী’ তরুণকে অস্ট্রেলিয়া ত্যাগে বাধা

অস্ট্রেলিয়া ছেড়ে যাওয়ার আগেই সন্দেহভাজন সাত তরুণ জিহাদী যুবককে থামিয়ে দেয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সন্ত্রাসী গ্রুপের হয়ে তারা যুদ্ধ করার পরিকল্পনা করেছিল। জিহাদী গ্রুপে যোগ দেয়া নিয়ে দেশে এক ধরনের আতঙ্কের মধ্যেই তাদের এভাবে থামিয়ে দেয়া হলো। বৃহস্পতিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী টনি এ্যাবোট একথা বলেন। খবর এএফপির।

ইসলামিক স্টেট ও একই ধরনের অন্যান্য জঙ্গী গ্রুপের প্রতি জিহাদীদের ঝুঁকে পড়া বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গী সংগঠনে যোগ দিতে যোদ্ধাদের ইরাক ও সিরিয়া যাওয়ার প্রবণতার ব্যাপারে সরকারের উদ্বেগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ্যাবোট বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার পরিকল্পনাকারী অস্ট্রেলিয়ার সাত তরুণকে আমরা বিমানবন্দরে থামিয়ে দিয়েছি। ধারণা করা হচ্ছে তারা সেখানে জিহাদী গ্রুপে যোগ দিতে যাচ্ছিল। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনা ইসলামিক স্টেটের প্রতি জিহাদীদের ঝুঁকে পড়া অব্যাহত রয়েছে এমনটা ইঙ্গিত করে।

সিডনি ডেইলি টেলিগ্রাফ জানায়, গত ১২ আগস্ট এ সাতজনের পাঁচজন একসঙ্গে প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়াগামী একটি ফ্লাইটে সিডনি বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তদন্তের স্বার্থে এ্যাবোট এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু উল্লেখ করেননি।

তিনি বিমানবন্দরে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ পথে দায়িত্ব পালনের জন্য সীমান্ত বাহিনী ও সন্ত্রাস দমন ইউনিটের প্রশংসা করেন।

ক্যানবেরার ধারণা অস্ট্রেলিয়ার প্রায় ১২০ জন নাগরিক এখনও ইরাক ও সিরিয়া যুদ্ধ করছে। এছাড়া এ দুই দেশে জিহাদীদের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কমপক্ষে ৩০ নাগরিক নিহত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ায় প্রায় ১৬০ সমর্থক রয়েছে যারা জিহাদীদের অর্থ পাঠায়। এক বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় সন্ত্রাসী হামলার হুমকি অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তখন দেশের বিভিন্ন নগরীতে সন্ত্রাসবাদ দমন অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। এদিকে অভিবাসন মন্ত্রী পিটার ডুটন জানান, বিদেশে যুদ্ধ করতে চাওয়া অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের সংখ্যার ব্যাপারে তিনি উদ্বিগ্ন।