২১ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

সম্পাদক সমীপে

  • মাঝি পাল উড়াইয়া দে-

ভাটির দেশ বাংলাদেশ! অসংখ্য নদ-নদী, খাল-বিল, বিল-ঝিল, হাওড়-বাঁওড় ঘেরা এ দেশ। আর বর্ষায় ভাটি অঞ্চলে যাতায়াতের একমাত্র বাহন হলো নৌকা। নৌকা ছাড়া পারাপারের জো নেই। কিন্তু বর্তমানে নৌকা আছে ঠিকই পাল তোলা নৌকা আর নেই। এক সময় ছিল রং-বেরংয়ের পাল তোলা নৌকা। সেই চিরায়িত দৃশ্য আর নেই। সেখানে স্থান করে নিয়েছে ইঞ্জিনচালিত নৌকা। ছোট-বড় যে কোন নৌকায় এখন ইঞ্জিন। এমন এক সময় ছিল যখন মাঝিমাল্লারা অপেক্ষায় থাকত কখন বাতাস অনুকূলে আসে আর তখনই মাস্তুলে মাঝি নৌকায় পাল তুলে দিত। আর পালে বাতাস লেগে ফর ফর বেগে নৌকা চলত। মাঝি হাঁক ছেড়ে উঠতÑ ‘বদর বদর’ করত আয় পবন আয় পবন। কিন্তু বর্তমানে নৌকায় পাল খাটানোর দিন শেষ। এখন শুধুই ইঞ্জিন স্টার্ট দেয়া। পাল তোলা নৌকার সঙ্গে সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে দাঁড় টানা, গুনটানা, কেড়ায়া নৌকার চল। পাল তোলা নৌকা আমাদের পুরনো ঐতিহ্যের একটি অংশ। এ নিয়ে মরমী শিল্পী উকিল মুন্সি গেয়েছেনÑ ‘আষাঢ় মাইস্যা ভাসা পানি পুবালী বাতাসে, বাদাম (পাল) দেইখ্যা চাইয়া থাকি আমার নি কেও আসেরে’। না এখন তো বাদাম দেইখ্যা থাকনের দিন শেষ। এখন শব্দ শুইন্যা চাইয়া থাকনে দিন এসেছে। যান্ত্রিক সভ্যতার আগমনে বিদায় নিয়েছে আমাদের অনেক পুরনো রীতি। হাওড়-বাঁওড়ে এখনও কেউ শখ করে নৌকায় পাল তুললেও এমন দিন আর বেশি দূরে নয় যখন একেবারেই বিস্মৃতির অতল তলে হারিয়ে যাবে পাল তোলা নৌকার বিমোহিত দৃশ্য।

শ্যামল চৌধুরী

মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা

চলনবিলে

মৎস্যসম্পদ

এবং অভয়াশ্রম

এখন শরত কাল । আর এ সময় চলনবিলে ভরপুর পানির সমাহার। চলতি বছরে, এই পানিতে দেশী মাছসহ নানান প্রজাতির মাছের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে। এর মূল কারণ হচ্ছেÑ কয়েকটি স্পটে অভয়াশ্রম। এই অভয়াশ্রম আমাদের স্থানীয় প্রতিমন্ত্রী নাটোর-৩ (সিংড়া) ‘জুনাইদ আহমেদ পলক’ এবং নাটোর-৪ (গুরুদাশপুর) ‘আবদুল কুদ্দুস’ জনপ্রতিনিধি সার্বিক চেষ্টায় কয়েক বছরে বৃহত্তম চলনবিলের নিচু এলাকায় অভয়াশ্রম গড়ে তোলেন এবং বর্ষার শুরুতেই চলনবিল এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ অবমুক্ত করেন। তারই ফল হিসেবে এ বছরে চলনবিলে শুধু প্রচলিত মাছই নয় বরং বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া অনেক মাছের সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে।

বিলুপ্ত প্রায় মাছগুলোর মধ্যে যেমন, কৈ, ভেদা, শোল, পাবদা, টেংরা, শিং, মোয়া, পাতাশি, গুচি, বোয়াল ও গুজার প্রভৃতি। কয়েকটি স্পটে যেখানে সারাবছরই পানি থাকে। এসব স্পটে অভয়াশ্রম ঘোষণা করা হয় এবং এই অভয়াশ্রমগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে নিরাপত্তা বিধান করা হয়। যাতে, মা-মাছসহ সব ধরনের মাছ নিধন না হয় এবং প্রজনন বৃদ্ধি পায়।

পরিশেষে, চলনবিলে বেশি করে অভয়াশ্রম গড়ে তোলা একান্ত প্রয়োজন। যাতে মাছের প্রজননসহ মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

দিলরুবা রিজওয়ান দিনা

আয়েশ, সিংড়া, নাটোর

ফেলোশিপের সাক্ষাতকার গ্রহণ

গবেষণা জাতীয় উন্নয়নে ও বিদ্যমান জাতীয় সমস্যা সমাধানে বাতিঘর হিসেবে কাজ করে। উচ্চতর গবেষণা বিজ্ঞানের জ্ঞানভা-ারকে সমৃদ্ধ করে এবং দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয়েক বছর আগে একটি অনুষ্ঠানে বয়সের প্রতিবন্ধকতা দূর করার কথা বলেছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি যুগোপযোগী ও যথার্থ। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে উপযুক্ত এমফিল ও পিএইচডি গবেষক নির্বাচন করে থাকে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ঘঝঞ) ফেলোশিপের জন্য অন্য কোন ব্যক্তিগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই বলে আমরা মনে করি। গবেষকগণ ফেলোশিপপ্রাপ্ত হলে উৎসাহিত বোধ করবেন। বেশিসংখ্যক গবেষক গবেষণার কাজে এগিয়ে আসবেন। প্রতিযোগিতামূলকভাবে দেশের প্রয়োজনীয়তা প্রকল্পগুলোর গবেষকদের ফেলোশিপের জন্য নির্বাচন করা যাবে। যা দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গলজনক হবে। অপ্রয়োজনীয় শর্তারোপের মাধ্যমে গবেষণার কাজকে নিরুৎসাহিত করা দেশের জন্য কল্যাণকর হতে পারে না। সকল বিষয় বিবেচনা করে যে সব এমফিল ও পিএইচডি গবেষক ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (ঘঝঞ) ফেলোশিপের জন্য আবেদন করছেন তাঁদের সাক্ষাতকার প্রদানের সুযোগ দেয়া হোক এবং জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনা করে ফেলোশিপ প্রদান করা হোক।

আবুল কালাম আজাদ

বাউন্ডারী রোড

ময়মনসিংহ

দেখার কেউ নেই

জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ভারতের বীরুভূম প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ৫নং উইংয়ের ১০নং প্লাটুনের কমান্ডার ছিলাম। সহযোদ্ধাদের নিয়ে স্বাধীনতাযুদ্ধে সক্রিয় অংশগ্রহণ করি। আমার মুক্তিযোদ্ধা সনদ নং ৯২৯৪৫। বিগত আওয়ামী লীগ সরকার আমলে অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ভাতা পেতাম। ভাতা বই নং-১৭৩। চারদলীয় জোট সরকার আমলে মন্ত্রণালয় থেকে যখন গেজেট তালিকা করার জন্য উপজেলাকে নির্দেশ প্রদান করে তখন উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সামনে হাজির হয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দেই। উপজেলা যাচাই-বাছাই নং ০৫৭। জেলা প্রশাসক অফিস থেকে মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানোর সময় অদৃশ্য কারণে আমার নাম বাদ পড়ে। এটা জানতে পেরে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করে গেজেট তালিকায় নাম তোলার জন্য জাতীয় তালিকা প্রণয়ন কমিটির চেয়ারম্যান বরাবর ১০-০৮-০৫-এ আবেদন করি। সংবাদপত্রের মাধ্যমে প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীকে ভাতাসহ গেজেট তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করি। পত্র-পত্রিকায় এ বিষয়ে সচিত্র সংবাদও প্রকাশিত হয়। কিন্তু এতেও কোন কাজ হয়নি।

এ নিয়ে চিন্তা করতে করতে হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গিয়ে ব্রেনস্ট্রোক করে অচেতন হয়ে পড়ি। ২২ দিন পর আমার জ্ঞান ফিরে। ব্যয়বহুল এ চিকিৎসা বাবদ ব্যয় হয় প্রায় ৭ লাখ টাকা। তিন বছর পর্যন্ত প্রতিমাসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ওষুধ বাবদ খরচ হয় ৫ হাজার টাকা। দুই বছর যাবত এখন প্রতিমাসে ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১ হাজার ২শ’ টাকা। আমি অর্থনৈতিক দিক দিয়ে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে আছি। আমি ১২ বছর যাবত ভাতা পাচ্ছি না।

পীযূষ কান্তি দাস

বৌলতলী, গোপালগঞ্জ

সক্রেটিস বিশ্বাস করতেন তিনি সত্য বলেছেন। তাঁর দর্শন যুবসমাজকে আলোর পথ দেখিয়েছিল। অপরদিকে তাঁর দর্শন এথেন্সের তৎকালীন রাষ্ট্রব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছিল। সক্রেটিস যখন বিচারের সম্মুখীন হন তখন আইন ছিল এথেন্সের রাষ্ট্রপক্ষের তৈরি। যেহেতু তিনি রাষ্ট্রের বন্দী তাই আইন এড়াতে চাননি। প্লেটো তাঁর নাটকীয় সংলাপগ্রন্থ ‘এ্যাপোলজি’-তে লিখেছেন, সক্রেটিস বিচার এড়াতে চাইলে বিচার শুরুর অনেক আগেই পালিয়ে যেতে পারতেন অথবা গণতন্ত্রের প্রকাশ্য বিরোধিতা বন্ধ করে কিংবা জরিমানা দিয়েও তিনি মুক্তি পেতে পারতেন। কিন্তু তিনি আইন এড়াতে চাননি। যেহেতু তিনি নিজেকে এথেন্সের উপকারক ভাবতেন তাই এথেনীয় আইনকে উপেক্ষা করে নিজের কোন অপরাধ তা যতই ক্ষুদ্র হোক, জ্ঞাতসারে করতে চাননি। তিনি তাঁর দর্শনের বিমূর্ত নীতিগুলো থেকে কখনও সরে দাঁড়াননি। তিনি তাঁর সত্য থেকে একবিন্দুও পিছিয়ে আসেননি। মাথা পেতে শাস্তি নিয়েছেন সক্রেটিস। আজ সাড়ে ২৩শ’ বছর পরে বাংলাদেশে ওই ধরনের ছোট একটি ঘটনা ঘটল। জনকণ্ঠ টেলিফোন সংলাপের ভিত্তিতে সম্প্রতি একটি উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করেছে। এই লেখাটির মূল উদ্দেশ্য ছিল সত্যকে উন্মোচন করা, বিচার কাজকে প্রভাবিত করা নয়। কিন্তু আইন সেটা অনুমোদন দেয় না।

তবে দৃষ্টান্তমূলক একটি ঘটনা ঘটেছে। জনকণ্ঠ আদালতের কাছে ক্ষমা চায়নি। বরং মাথা পেতে নিয়েছে শাস্তি!

অরণ্য আনোয়ার

ঢাকা

আমরা ভাল নেই

আমাদের এলাকার এক দোকানদার মাস্তানি কায়দায় তার দোকানের সামনে রাস্তায় টেবিল-চেয়ার বসিয়ে রাস্তা দখল করে ব্যবসা করছেন। ফলে রাস্তায় সারাক্ষণ ট্রাফিক জ্যাম লেগেই থাকে। মানুষ চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এতে আমাদের ব্যবসার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আমরা ওই দোকানদার ও তার লোকজন কর্তৃক সন্ত্রাসী হামলায় আক্রান্ত হই। এলাকার মুরব্বিদের কাছে বার বার বিচার চেয়েও ব্যর্থ। কারণ ওই দোকানদার এক ব্যবসায়ী নামধারী মাস্তান।

বর্তমানে সে বিভিন্ন কূটকৌশলে আমাদের দোকান দখল ও গ্রাস করার জন্য মাস্তানদের সহযোগিতায় হুমকি এবং বল প্রয়োগ করছে। সে আমাদের দোকানের সামনে টেবিল-চেয়ার বসিয়ে দিয়েছে এবং আমাদের দোকানের ওয়াল ভেঙ্গে দোকান দখলের চেষ্টা করছে। আমরা অসহায়, ভয়ে উৎকণ্ঠায় বিপর্যস্ত। বর্তমানে এলাকায় নিরাপত্তাহীনতা ও চরম মানসিক বিপর্যয় অবস্থা বিরাজ করছে।

সুমন

কোতোয়ালি, ঢাকা

বুক ভরে যায় গর্বে

‘মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ প্রচরিত শব্দটি বাস্তবে রূপ দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করে বিশ্ব ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছেন মানবতার মধ্যমণি বাঙালী জাতির গর্ব, বাংলার ইতিহাস জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। জাতির পিতা স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সংবিধান উপহার দিয়েছেন। নির্যাতিত জাতিকে মুক্ত করে নিজের জীবন উৎসর্গ করে দিলেন।

জাতির পিতার সারাজীবনের কর্মকা- হলো বিশ্ব ইতিহাস। মহান নেতার দিকনির্দেশনা কাজে লাগাচ্ছে গণতন্ত্র ও মানবতা রক্ষার জন্য, তারই উত্তরসূরি বঙ্গকন্যা, গণতন্ত্রের মানসকন্যা সোনার বাংলাকে ডিজিটাল বাংলায় পরিণত করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এমন দিনে ধিক্কার জানাই, নরপশু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধী, আলবদর, আল শামস এবং ওদের দোসর ও সমর্থনকারীদের। আমি নিজেও গর্বিত, এমন শ্রেষ্ঠ বাঙালীকে আমি ৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ সালে তাঁকে যে চিঠি পাঠিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু জাতির পিতা ২৯ সেপ্টেম্বর চিঠির উত্তর প্রদান করে সোনার বাংলা গড়ার কাজে আমার সহযোগিতা চেয়েছিলেন। বাঙালী জাতির এই মহান নেতার কথা মনে হলে বুক ভারি হয়ে আসে। এক ক্ষুদ্র মানুষের চিঠিকে কতখানি গুরুত্ব দিলে তার প্রতিউত্তর দেয়া যায় তা দেখে গর্বে বুক ভরে যায়।

মেছের আলী

শ্রীনগর, মুন্সীগঞ্জ

ঢাকার রিক্সায় আলো নেই কেন?

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের নির্বাচিত দুই মেয়রকে অভিনন্দন। নির্বাচন পূর্ব তাঁদের নানা অঙ্গীকার, প্রতিশ্রুতি/আশ্বাসের কথা সবিনয়ে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।

ঢাকার নাগরিকদের স্বস্তি-স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের সামনে নানা সমস্যা। পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য নিষ্কাশন, জলাবদ্ধতা, যানজট ইত্যাদি বহুবিদ সমস্যার সমাধান বিষয়ে তাঁরা ভাবছেন এবং কাজ করে যাচ্ছেন বলেই ধারণা করি। খুবই সাধারণ একটি বিষয়ের প্রতি মেয়র সাহেবদের সহৃদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই।

নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত নাগরিকদের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন রিক্সা। দেখে আসছি, দীর্ঘদিন ঢাকায় চলাচলকারী রিক্সায় সন্ধ্যার পর কোন আলো থাকে না। পরিতাপের বিষয়, প্রশাসনের/ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃপক্ষের/সিটি কর্পোরেশনের কেউ কখনও নজর দিয়েছেন বলে মনে হয় না। সন্ধ্যার পর রিক্সায় আলো না থাকাটা চালকও ব্যবহারকারী নাগরিকদের জন্য কতটা ঝুঁকিপূর্ণ কেউ কী কখনও ভেবে দেখেছেন। বিশেষ করে বর্ষা-বাদলের দিনে কিংবা ‘লোড-শেডিংয়ের সময় ঝুঁকিটা আরও বেড়ে যায় না কি?

উল্লেখ করি, বিগত শতকের পঞ্চাশ দশকের মাঝামাঝি আমরা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ঢাকায় আসি তখন দেখেছি সন্ধ্যার পরে একটি রিক্সাও আলো ছাড়া পথে নামত না। আবশ্যিকভাবে হয় কুপিবাতি নয় লণ্ঠন রিক্সায় লাগিয়ে চালকরা রাস্তায় নামতেন। সন্ধ্যার পর রিক্সায় আলো রাখার ব্যবস্থা কখন বন্ধ হয়েছে জানি না অথচ আগেকার মহকুমা শহর এবং এখনকার জেলা শহরগুলোতে সন্ধ্যার পর রিক্সায় আজও আগের ব্যবস্থা আছে। এমন কি ছোট উপজেলা শহরেও সন্ধ্যার পর রিক্সায় আলো রাখার ব্যবস্থা আছে।

বিবৃত অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে রিক্সায় যাতায়াতকারী ব্যক্তিদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তথা জনস্বার্থে সন্ধ্যার পর আবিশ্যকভাবে রিক্সায় আলো রাখার ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে বিবেচনার জন্য নতুন মেয়র সাহেবদের সুদৃষ্টি কামনা করি।

এন খান

আদাবর

ঢাকা