১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

বিএনপি কখনও সন্ত্রাসের রাজনীতি করেনি ॥ খালেদা

স্টাফ রিপোর্টার ॥ বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া বলেছেন, বিএনপি কখনও সন্ত্রাসের রাজনীতি করেনি এবং সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয়ও দেয়নি। শুক্রবার রাতে দলের মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান।

সাবেক বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়া বলেন, এটা সবাই জানে যে, বিএনপি দেশের অবরুদ্ধ গণতন্ত্রকে মুক্ত করার লক্ষ্যে শান্তিপূর্ণ পথে গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে। কিন্তু আন্দোলন চলাকালে সরকারী এজেন্ট, শাসকদলীয় লোকেরা সন্ত্রাসী কর্মকা- ঘটিয়ে তার দায় বিরোধী দলের কাঁধে চাপানোর অপপ্রয়াস নিয়েছিল, যা কারোর অজানা নেই। বিগত আন্দোলনে সন্ত্রাসী ঘটনার সঙ্গে শাসকদলীয় ক্যাডারদের জড়িত থাকার ঘটনা তখন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল। অথচ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীকে জড়িয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে শাসকগোষ্ঠী প্রতিনিয়ত বিরোধী দলের চরিত্র হননের ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বিরোধী নেতাকর্মীকে হয়রানি করেই চলেছে।

বিবৃতিতে খালেদা জিয়া দলের নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি জানান। তিনি বলেন, আমি দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুস সালাম পিন্টু, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা অধ্যাপক এমএ মান্নান, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, মিজানুর রহমান মিনু, এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, ত্রাণ ও কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী আহমেদ রুমী, পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক মোজাহার আলী প্রধান, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট সৈয়দা আশিফা আশরাফি পাপিয়া, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেয়র জিকে গউস, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন খান, মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি এবায়দুল হক চান, রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল হক মিলন, ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম নুপুর, বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এ্যাডভোকেট আবুল কালাম, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাজীব আহসানসহ আটক সব নেতাকর্মীর মুক্তিদানের মাধ্যমে মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের বদ্ধ কপাট খুলে দেয়ার আহ্বান জানাই।