২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

নীলফামারীতে বিদ্যুত সংযোগ দেয়ার নামে প্রতারণা

স্টাফ রিপোর্টার, নীলফামারী ॥ পল্লী বিদ্যুতের সংযোগ স্থাপনের নামে এক লাখ ৬০ হাজার পাঁচশ’ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছে ডিমলা উপজেলার ময়দানের ডাঙ্গা ৫৪ নম্বর পার্ট-২ এর ৩৭ আবেদনকারী। শনিবার বেলা ১১টায় ডিমলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আবেদনকারীদের পক্ষে আবু বক্কর সিদ্দিক। এ সময় বলা হয়, পল্লী বিদ্যুতের চেয়ারম্যানের নাম হলো ময়েন উদ্দিন। এই নামকে পুঁজি করে ডিমলা সদর ইউনিয়নের মহির উদ্দিনের পুত্র ময়েন কবীর নিজেকে পল্লী বিদ্যুতের চেয়ারম্যানের বন্ধু এবং নিকট আত্মীয় পরিচয় দেয়। পাশাপাশি দ্রুত বিদ্যুত সংযোগ দেয়ার নামে চার লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করে। তার কথা বিশ্বাস করে পশ্চিম ছাতনাই ইউনিয়নের ৩৭ আবেদনকারী প্রথম পর্যায় এক লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে।

এই টাকা পেয়ে ময়েন কবির পল্লী বিদ্যুতের ডিমলা অফিসের দায়িত্বে ইঞ্জিনিয়ার বেলাল হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে এলাকাটি জরিপ করায়। এরপর এলাকাটি পুনরায় নীলফামারী পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনানেল ম্যানেজারের পরিদর্শনের খরচ বাবদ আরও ১৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে গ্রামবাসী নীলফামারী পল্লী বিদ্যুত অফিসে যোগাযোগ করে জানতে পারে ময়েন কবির অফিসে এ ব্যাপারে কোন টাকা জমা করেনি। ঘটনার দুই বছর অতিবাহিত হলেও সেখানে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার বা অন্য কোন কর্মকর্তা পরিদর্শনে যেমন আসেনি তেমনি আজ পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুতের কোন খুঁটি স্থাপন করা হয়নি। সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয় এসব আবেদনকারী এ ঘটনায় ডিমলা থানায় ময়েন কবিরের বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে থানার ওসি ওই মামলা গ্রহণ করেনি। উল্টো ময়েন কবির এসব আবেদনকারীর নামে ডিমলা থানায় জিডি করেছে। এখানেও ডিমলা থানার ওসির ভূমিকা রহস্যজনক।

নেত্রকোনায় স্ত্রী-সন্তানকে কুপিয়ে নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা

নিজস্ব সংবাদদাতা, নেত্রকোনা, ২২ আগস্ট ॥ স্ত্রী ও দুই সন্তানকে কুপিয়ে জখম করার পর নিজেও গলা কেটে আত্মহত্যা করেছেন এক ব্যক্তি। তার নাম শাহজাহান মিয়া (৫০)। শুক্রবার রাত দুইটার দিকে কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের আঙ্গারোয়া গ্রামে ঘটে এ ঘটনা।

পুলিশ জানায়, শাহজাহান মিয়া কিছুদিন ধরে মানসিক রোগে ভুগছিলেন। কয়েকদিন ধরে এলাকার মানুষকে মারতে শুরু করলে তাকে একটি শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়। শুক্রবার রাতে প্রকৃতির ডাকে সারা দেয়ার কথা বললে তার স্ত্রী আসমা আক্তার শিকল খুলে দেন। এর পরপরই শাহজাহান ঘর থেকে কুড়াল নিয়ে আসমা (৩৮), তার দুই সন্তান নবম শ্রেণীর ছাত্রী হাদিছা আক্তার (১৪) ও আমিনুল ইসলামকে (৯) কুপিয়ে আহত করে। পরে ঘরে থাকা দা দিয়ে নিজেও নিজের গলা কেটে আত্মহত্যা করেন। শনিবার সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

শেরপুরে বন্যহাতির পায়ে প্রাণ গেল আদিবাসী যুবকের

নিজস্ব সংবাদদাতা, শেরপুর, ২২ আগস্ট ॥ শেরপুরের ঝিনাইগাতী সীমান্তে বন্যহাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে চন্দ্র শেখর কোচ (৩৫) নামে আদিবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার রাতে উপজেলার সীমান্তবর্তী গান্ধিগাঁও গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। তিনি ওই গ্রামের বিতিম বিহারী কোচের ছেলে। শনিবার জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে চন্দ্র শেখর কোচের লাশ হস্তান্তর করা হয়।

জানা যায়, শুক্রবার রাত ৮টার দিকে ৫০-৬০ বন্যহাতির দল ঝিনাইগাতী উপজেলার গান্ধিগাঁও গ্রামে হানা দেয়। ওইসময় হাতির দল ধানক্ষেত খেয়ে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে নষ্ট করতে থাকলে ডাক-চিৎকার দিয়ে গ্রামবাসীকে নিয়ে তাড়াতে গেলে চন্দ্র শেখর কোচ বন্যহাতির কবলে পড়ে। এক পর্যায়ে বন্যহাতি তাকে পা দিয়ে পিষ্ট করে।