২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে ডাকাত নিহত, আটক ৮

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুমিল্লা, ২২ আগস্ট ॥ ডিবি পুলিশের সঙ্গে ডাকাত দলের গুলিবিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আবদুল কাদের নামের আন্তঃজেলা ডাকাত দলের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। নিহত ওই ডাকাত জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ভড়নীখ- গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের পুত্র। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ ৮ ডাকাত সদস্যকে আটক করেছে। শনিবার ভোর রাতে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লা-নোয়াখালী সড়কের জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার পেরুল এলাকায় ১০/১৫ জনের সশস্ত্র ডাকাত দল সড়কে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় ওই সড়কে টহলরত জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ডাকাত দলের সঙ্গে গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ডাকাত আবদুল কাদের (৩৫) মারা যান। এ বিষয়ে ডিবির এসআই মোঃ শাহ্ কামাল আকন্দ জানান, নিহত ডাকাত আবদুল কাদেরের বিরুদ্ধে লাকসাম ও মনোহরগঞ্জসহ জেলার বিভিন্ন থানায় ৯টি ডাকাতির মামলা রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি মাইক্রোবাস, ৩টি এলজি, ১টি শর্টগান, ৩টি ছুরি, ৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্র, ডাকাতি ও হত্যার ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

ঈশ্বরদীতে অস্ত্র মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে

স্টাফ রিপোর্টার, ঈশ্বরদী ॥ বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকপ্রাপ্ত কৃষক সিদ্দিকুর রহমান ময়েজ ওরফে কুল ময়েজের বিরুদ্ধে ঘরবাড়ি, জমিজমা দখল, অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা, হামলাসহ পরিবারের সদস্যদের হয়রানি ও নির্যাতনের প্রতিবাদে শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ময়েজের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শ্রাবণী আক্তার আঁখি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। এ সময় ময়েজের পিতা গনি বিশ্বাস সংবাদ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

লিখিত বক্তব্যে শ্রাবণী আক্তার আঁখি বলেন, ময়েজ ইতোপূর্বেও আমার শ্বশুর এবং আমার স্বামীর ঘরবাড়ি, লিচুর বাগান, জমিজমা দখল করে নিয়েছে এবং তার অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা হামলায় আমার শ্বশুর, আমার দুই দেবর এবং আমার স্বামীকে বাড়িঘর ছাড়া করেছে। বিগত সময়েও আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানিয়েছিলাম। ময়েজের এ ধরনের কর্মকা-ের প্রতিবাদ করায় আমার স্বামী মোফাজ্জলকে নিয়ে ময়েজের চক্রান্ত থেমে থাকেনি। ময়েজ ষড়যন্ত্র করে গত ১৭ আগস্ট রাতে আমার বাবার বাড়িতে পুলিশ পাঠায়। পুলিশ ময়েজের দেয়া ভিত্তিহীন তথ্যের ভিত্তিতে বাড়িতে এসে মিথ্যা অজুহাতে আমার স্বামী মোফাজ্জলকে ঘর থেকে বাইরে বের করে নিয়ে আসে। এ সময় পুলিশ কৌশলে বিছানার বালিশের নিচে অস্ত্র রেখে বের হয়ে আসে। পরে পুলিশ আবার ঘরে ঢুকে বালিশের নিচ থেকে অস্ত্র বের করে মোফাজ্জলকে হাতে নিতে বলে। আমার স্বামী অস্ত্র হাতে নিতে অসম্মতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়া হয়। তখন সে বাধ্য হয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। পরে আমার স্বামীকে শিবির ক্যাডার ও একাধিক মামলার আসামি বলে গ্রেফতার দেখিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

তিনি পুলিশ প্রশাসনসহ সকল মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমার স্বামী কৃষক। সে কোন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়। তার বিরুদ্ধে কোন প্রকার রাজনৈতিক মামলা নেই। যে মামলাগুলো রয়েছে সেগুলো ময়েজের করা পারিবারিক ও জমিজমা সংক্রান্ত।

বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ চালুর দাবি

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ বিভাগীয় পর্যায়ে হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ চালুর দাবিতে শনিবার বেলা ১১টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ নাগরিক অধিকার আন্দোলন ও জনউদ্যোগ, খুলনা এই কর্মসূচী আয়োজন করে। এতে বক্তব্য রাখেন জাসদ খুলনা মহানগর সভাপতি রফিকুল হক খোকন, খুলনা উন্নয়ন ফোরামের চেয়ারম্যান শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, শ্যামল সিংহ রায়, এস এম শাহনওয়াজ আলী, মহিউদ্দিন আহমেদ, এসএম সোহরাব হোসেন, রুহুল আমিন সিদ্দিকি, শাহ মামুনুর রহমান তুহিন, যুবলীগ নেতা শফিকুর রহমান পলাশ, আঃ সালাম ঢালী, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার এ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম।