২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

স্বাস্থ্যমন্ত্রী প্রতিশ্রুত স্কুলে ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা শুরু হলো বগুড়ায়

স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া অফিস ॥ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত দেশের প্রতিটি স্কুলে ফ্রি মেডিক্যাল চেকআপের যাত্রা শুরু হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদৎবার্ষিকী উপলক্ষে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ (স্বাচিপ) বগুড়া জেলা শাখার উদ্যোগে বগুড়ার শিবগঞ্জের নিভৃত গ্রাম আমতলী মডেল স্কুলে শুক্রবার দিনভর ফ্রি মেডিক্যাল চেকআপের আয়োজন করা হয়। উল্লেখ্য, এ বছর ১ এপ্রিল স্বাস্থ্যমস্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আমতলী মডেল স্কুলের এক অনুষ্ঠানে ঘোষণা দেন দেশের প্রতিটি স্কুলে ফ্রি মেডিক্যাল চেকআপের ব্যবস্থা করা হবে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য কার্ড প্রদান করা হবে। তারই ধারাবাহিকতায় এই ফ্রি চেকআপের আয়োজন। এই দিনের চেকআপে প্রায় আড়াই হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু ও শিক্ষার্থী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করার সুযোগ পায়। স্বাচিপের সভাপতি ডাঃ সামির হোসেন মিশু ও সাধারণ সম্পাদক ডাঃ রেজাউল আলম জুয়েলসহ ৫৫ চিকিৎসক স্বাস্থ্য সেবা দেন। স্বাস্থ্য খাতে গ্রামে বৃহত পরিসরে এমন সেবাদান অনন্য দৃষ্টান্ত, এমনটি মনে করছেন সুধীজন। ডাঃ রেজাউল আলম জুয়েল জানান, মানবদেহের প্রতিটি অংশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এই কর্মসূচীতে অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন-মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মামুনুর রশীদ, হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ শহীদুল হক, চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাঃ এনসি বাড়ই, নাক কান গলা বিশেষজ্ঞ জিয়াউল আহসান, গাইনি বিশেষজ্ঞ ডাঃ নীপা, ডাঃ চিত্রলিখা কুন্ডু, শিশু বিশেষজ্ঞ রফিকুল ইসলাম, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মামুনুর রহমান, ডাঃ গোপাল চন্দ্র, শৈল্য বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোত্তালিব, রেসপেরেটরি মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ দেবাশীষ কুমার প্রমুখ। স্বাচিপের সভাপতি ডাঃ সামির হোসেন মিশু বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল দেশের চিকিৎসকগণ গ্রামে গিয়ে সাধারণ মানুষের সেবা দেবে, মানুষ পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা পাবে স্বাচিপের চিকিৎসকগণ সেই স্বপ্নপূরণে এগিয়ে এসেছে। যার ধারাবাহিকতায় আমতলী মডেল স্কুলকে বেছে নেয়া হয়। এই স্কুলটি প্রমাণ করেছে শহর গ্রাম বলে কোন কথা নেই উন্নততর শিক্ষা প্রদান করলে গ্রাম থেকেও মেধাবীরা উচ্চ শিক্ষার বড় আসন করে নিতে পারে। দিনভর এই স্কুল প্রাঙ্গণে শিবগঞ্জ সদর, আমতলী, উথুলি, সাদুল্লাপুর, সংসারদীঘি, কিচক, মোকামতলাসহ আশপাশের গ্রামের সর্বস্তরের নারী-পুরুষ ও শিশু সুশৃঙ্খলভাবে স্বাস্থ্যসেবা নেয়। স্কুলের সকল শিক্ষার্থীকে প্রয়োজন মাফিক চিকিৎসা দেয়া হয়। মেধা বিকাশের ডিএইচএর করণীয় সম্পর্কে অবহিত করা হয়। স্বাস্থ্যসেবাসহ সকল আয়োজনে শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য স্কুলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মীর মহরম আলী শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক রেখেছিলেন। চিকিৎসকগণ বলেন, এমন পরিষেবায় অংশ নিতে পেরে তারা গর্বিত।