২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮  ঢাকা, বাংলাদেশ  
শেষ আপডেট এই মাত্র    
ADS

প্রাণনাশের আশঙ্কা থেকেই পুলিশের সঙ্গে সন্ত্রাসীদের গানফাইট ॥ আইজি

স্টাফ রিপোর্টার ॥ এবার পুলিশের স্েঙ্গ সন্ত্রাসীদের ‘গানফাইট’ বা বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে মুখ খুললেন পুলিশপ্রধান। আইনগত ব্যবস্থা নিতে গিয়ে পুলিশের জীবননাশের আশঙ্কা থেকেই এ ধরনের ঘটনা ঘটে বলে মন্তব্য পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি)। রবিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর পুলিশ স্টাফ কলেজে ‘ইন্টেলিজেন্স এনালাইসিস ফর টাইগার রেঞ্জ কান্ট্রি’ বিষয়ক এক প্রশিক্ষণ কোর্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজি একেএম শহীদুল হক এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি বলেন, বন্দুকযুদ্ধে কেউ নিহত হলে তা আইনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়। আর সেজন্য আমাদের ইনকোয়ারি ফেস করতে হয়, জবাবদিহিও করতে হয়। এ ছাড়া সন্ত্রাসীদের কোন দল নেই। তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নাম ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হয়। সন্ত্রাসীরা যদি জননিরাপত্তার জন্য হুমকি হয়, আইনশৃঙ্খলার জন্য হুমকি হয়, তখন তাদের প্রতি জিরো টলারেন্স দেখাতে হয়। এক্ষেত্রে সেই সন্ত্রাসী কোন্ দলের তা বিবেচনা করা হয় না।

দেশে বর্তমানে আইনঋঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল আছে দাবি করে আইজিপি বলেন, আমরা ব্যাপক কর্মসূচী নিয়েছি। যেখানে সন্ত্রাসী পাওয়া যাবে, যেখানে আইন অমান্য হবে, সেখানেই ব্যবস্থা নেয়া হবে। দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের সব চেষ্টাই অব্যাহত থাকবে।

অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শহীদুল হক বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। প্রতিমাসেই অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হচ্ছে।

ব্লগার হত্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ব্লগার হত্যার সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এসব হত্যাকা-ের পেছনের গডফাদারদের ধরতেও পুলিশের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

দুই সপ্তাহের ওই প্রশিক্ষণ কোর্সে দশ দেশের ২০ প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশ ছাড়াও প্রশিক্ষণে অংশ নেয়া দেশগুলো হচ্ছে ভুটান, কম্বোডিয়া, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, নেপাল, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। প্রশিক্ষণ কোর্সে বাঘ ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী পাচার রোধ, বাঘ সংরক্ষণ সংক্রান্ত উপাত্ত সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয়েও আলোচনা করা হয়। এ ছাড়া বাঘের ছোবল থেকে কিভাবে মানুষকে রক্ষা করা যায় সে কৌশল নিয়েও আলোচনা করা হয়।